অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ দুটোই নষ্ট হয়ে যায়!

0
550
সময় সংবাদ বিডি ঢাকাঃ হাসিখুশি ও আনন্দে ভরা জীবনযাপন সবারই কাম্য, অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ দুটোই নষ্ট হয়ে যায়। হারিয়ে যায় মুখের হাসি ও জীবনের আনন্দ। যা হবার তা হয়ে গেছে। এগুলো নিয়ে অযথা চিন্তা করবেন না। অতীত নিয়ে ভাবনা ছেড়ে দিন। কী করতে পারতেন তা নিয়ে না ভেবে কী করতে পারবেন তা নিয়ে ভাবুন। জীবনে আনন্দ ফিরে আসবে।
অতিরিক্ত এবং আগাম আশা করবেন না,কথায় বলে আশা ভঙ্গের দুঃখ সব চাইতে বেশি।
 
মানুষ একটি সুখী জীবনের জন্য সারাজীবন অনেক ধরণের কষ্ট হাসি মুখে মেনে নেয়। কিন্তু অনেকের কাছে সুখ পাখি ধরা দেয়, আবার অনেকে এই সুখ পাখির পিছনে ছুটেই জীবন পার করে দেন।
 
কিন্তু আসলে সুখ কী জিনিস? সবাই কি সুখী হতে পারে? হ্যাঁ, অবশ্যই। সুখ আসলে মূল্য দিয়ে নির্ধারণের কোনো বিষয় না। এ তো সম্পূর্ণই মনের ব্যাপার। মানসিক একটি প্রশান্তি। যখন মানুষের মনে শান্তি থাকে তখনই একজন মানুষ সুখী হয়। এই শান্তিও কিন্তু কোথাও কিনতে পাওয়া যায় না। মানুষকেই খুজে নিতে হচ্ছে।
 
কষ্ট মানুষ তখনই পায় যখন নিজের ভাবনার সঙ্গে বাস্তবতাটা মেলে না। সাধ্যের অতিরিক্ত আশা করাটা কখনোই ঠিক না। যারা কখনোই খুব বেশি আশা করেন না,তারা কারো কাছ থেকে জীবনে কম কষ্ট পান।
 
হতাশ হবেন না,আমাদের জীবনে অনেক ধরনের ইচ্ছা থাকে,কিন্তু সবই কি কখনো পূরণ হয়?
তা নিয়ে কখনোই হতাশ হওয়া যাবে না। বিশ্বাস করুন,যা আপনি পেয়েছেন তাই আপনার জন্য শ্রেষ্ঠ উপহার।
 
প্রিয়জনের সঙ্গে থাকুন,আপনি আপনার প্রিয় মানুষটিকে দিনে অন্তত ৫বার আলিঙ্গনের চেষ্টা করুন। হতে পারে আপনার বাবা-মা, স্ত্রী বা সন্তান। এতে আপনি অনেক বেশি খুশি থাকতে পারবেন।
 
যে কাজ ভালো লাগে তাই করুন খুঁজে বের করুন কোন কাজটি আপনাকে খুশি বা আনন্দ দেয়, তবে হা আপনার হাসি খুশির জন্য অপরের যেন হ্মতির কারণ যাতে না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। কোন কাজটি করলে আপনি মানসিকভাবে আনন্দ পান তা খুঁজে বের করুন। সেই কাজটিই করুন।
মনের ইচ্ছাকে দমিয়ে রাখবেন না।
 
নিজেকে দোষ দেবেন না,কোনো কাজে ব্যর্থ হলে নিজেকে বা অন্যকে কখনো দোষ দেবেন না।
ভুল তো হতেই পারে। চেষ্টা করুন যে ভুল হয়ে গেছে সামনে তা শুধরে নেয়ার।
 
বাস্তববাদী হতে হবে খেয়াল করে দেখবেন যারা সবসময় হাসিখুশি থাকে তারা বেশ বাস্তববাদী মানুষ আনন্দ ফিরে আসবেই,তাদের মধ্যে সত্যিকে সত্যি বলে মেনে নেয়ার সাহস থাকে। তারাও স্বপ্ন দেখেন। তবে সেটি বাস্তব স্বপ্ন, কোনো দিবাস্বপ্ন না। আর তাই এসব মানুষ কষ্ট কম পায়।
 
আসলেই ভাগ্যে একটি বিষয়, আরও ভালো হয় যদি অর্থ উপার্জনের জন্য যে কাজটি করে থাকেন,সেটা হয় আপনার মনের মত একটি কাজ। নিজের ভালো লাগার কাজকে পেশা হিসেবে নিতে পারেন।
আপনার মেজাজ ভালো থাকা কিংবা হাসির সাথে অন্য কাউকে জড়িয়ে নেবেন না। আপনি নিজে যেমন সম্পূর্ণ আলাদা একজন মানুষ ঠিক তেমনি আপনার খুশি আপনার নিজের কাছেই।
 
অনেকেই আগে থেকে চিন্তা করে বসে থাকেন আমি এটা করতে পারব না বা আমাকে দিয়ে এটা হবে না,কিংবা,এটা করে কোন লাভ হবে না। আপনি আগে থেকেই যদি নেতিবাচক চিন্তা নিয়ে বসে থাকেন তাহলে জীবনে সাফল্য আসার সম্ভাবনাও খুব কম থাকবে। ইতিবাচক চিন্তা নিয়ে কাজে নামুন। কোন কারনে কাজটি না পারলে মনকে সান্ত্বনা দিতে পারবেন আপনি চেষ্টা করেছিলেন।
এতেই খুশি থাকবে মন,হিংসা করবেন না।
 
অন্য কারোর ওপর নির্ভরশীল নয় আপনার আনন্দ হ্যাঁ,কথাটি সত্য।কিন্তু,তাহলে কেন আগে থেকে অনেক বেশি আশা নিয়ে বসে থাকা….?আশায় ভর করেই জীবন চলে।কিন্তু গণ্ডির বেশি বাইরে গিয়ে আশা করা শুধুই আশা ভঙ্গের দুঃখ বয়ে নিয়ে আসে। পরিমিত আশা করুন। আশা করেই বসে থাকবেন না। আশা ভঙ্গ হতে পারে এমন ইতিবাচক ধারনাও রাখুন। এতে দুঃখ বেশি লাগবে না। জীবনে সুখী হতে পারবেন অথচ নেতিবাচক চিন্তা করবেন না।
 
অন্যের উন্নতি বা জীবন দেখে হিংসা করবেন না,এতে আপনি নিজে কখনই সুখী থাকতে পারবেন না। আপনার নিজের যা আছে তাতেই নিজের সুখ ও হাসি খুঁজে নিন,জীবন অনেক সহজ হয়ে যাবে।
 
রাগ মনের শান্তি পুরোপুরি নষ্ট করে দেয়। মানুষের যে কোনো কারনেই রাগ উঠতে পারে। এটা সাধারন একটি অনুভূতি,কিন্তু রাগ পুষে রাখা না রাখা সম্পূর্ণ আপনার ব্যাপার। আপনি রাগ পুষে রাখলে আপনার নিজেরই ক্ষতি। আপনার মনের শান্তি নষ্ট হয়ে মুখের হাসি হারিয়ে যাবে,ক্ষমার মনোভাব রাখুন রাগ করলেও তা পুষে রাখবেন না। জীবনে সুখী হতে পারবেন।
 
আফসোস করবেন না জীবনে হতাশার অন্যতম কারণ আফসোস। আপনার যা নেই বা যা হারিয়ে ফেলেছেন তা নিয়ে কখনো আফসোস করবেন না। আপনার কাছে ভালো মোবাইল নেই,কিন্তু আপনার হয়তো এমন কিছু বন্ধু আছে যারা সবসময় আপনার পাশে থাকে। তাহলে ভাবুন অন্যের চেয়ে আপনি এদিক দিয়ে এগিয়ে আছেন।তবে আমার জানা মতে আপনি যদি ভাল মনের অধিকারি হন ,আপনার কাছে সবই সুখের সবই আনন্দময়।
যে কাজ ভালো লাগে তাই করুন খুঁজে বের করুন কোন কাজটি আপনাকে খুশি দেয়। কোন কাজটি করলে আপনি মানসিকভাবে আনন্দ পান তা খুঁজে বের করুন। সেই কাজটিই করুন,মনের ইচ্ছাকে দমিয়ে রাখবেন না।
 
দৈনন্দিন জীবনে নানান কাজের মাঝেই খুজে নিতে হয় হাসি-আনন্দের বিষয় বস্তু । মানসিক কিছু ব্যাপারে একটু অন্যভাবে চিন্তা করলেই পেতে পারেন কাঙ্খিত সেই হাসি,জীবনে আনতে পারেন সুখ,হাসিখুশি কেটে যাবে জীবন।
 
খুঁজে বের করুন সেই কাজটি যা আপনাকে খুশি করে প্রত্যেক মানুষই চাহিদা অনুযায়ী খুশি হওয়ার আলাদা আলাদা কাজ করে থাকেন। কোন কাজটি করলে আপনি মানসিকভাবে অনাবিল আনন্দ পান তা খুঁজে বের করুন। সেই কাজটিই করুন। মনের ইচ্ছাকে দমিয়ে রাখবেন না। এতে আপনার হাসি খুশি জীবন হারিয়ে যাবে।
 
আরও ভালো হয় যদি অর্থ উপার্জনের জন্য যে কাজটি করে থাকেন,সেটা হয় আপনার মনের মত একটি কাজ। নিজের ভালো লাগার কাজকে পেশা হিসেবে নিতে পারা আসলেই ভাগ্যের একটি বিষয়।
অন্য কাউকে নিজের খুশির কারণ হিসেবে ধরে নেবেন না।
আপনার মেজাজ ভালো থাকা কিংবা হাসির সাথে অন্য কাউকে জড়িয়ে নেবেন না। আপনি নিজে যেমন সম্পূর্ণ আলাদা একজন মানুষ ঠিক তেমনি আপনার খুশি আপনার নিজের কাছেই।
 
অন্য কারোর ওপর নির্ভরশীল নয় আপনার আনন্দ,আপনি আপনার জন্য খুশি থাকুন। অন্য কাউকে খুশি করার জন্য কোন কাজ করলে তা আপনাকে খুশি দেবে,অতীত নিয়ে ভাববেন না।
 
হাসি-খুশি জীবন কে না চায়? কিন্তু কিভাবে খুশি থাকা যায় তা নিয়ে কি কখনো চিন্তা করেছেন? আপনার চারপাশেই দেখবেন কিছু মানুষ আছে যারা সব সময় হাসি-খুশি থাকে। জীবনে হাসি-খুশি থাকার জন্য খুব বেশি ঝামেলা পোহাতে হয় না।
 
নিজেকে সবচেয়ে সুখী ভাবুন নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ ভাবুন। নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন। দেখবেন খুশি থাকতে পারবেন।
 
অতীত নিয়ে ভাববেন না,হারিয়ে যায় মুখের হাসি।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here