মুঘল সাম্রাজ্য ও উপমহাদেশে বিদআতের আমদানী পর্ব-২

0
90

সময় সংবাদ বিডি-

ঢাকাঃ বাবুরের পুত্র হুমায়ুন ১৫০৮ সালে কাবুলে জন্মগ্রহণ করেন৷ বাবুরের মৃত্যুর পর ১৫৩০ এ তিনি সিংহাসন লাভ করেন৷ তিনি খুব জাঁকজমক ও আমোদপ্রিয় ছিলেন৷

বাবুর মৃত্যু শয্যায় হুমায়ুনকে ভাইদের সাথে ন্যায়বিচার ও দয়া দেখাতে বলেছিলেন৷ তাই তিনি তাঁর ভাই কামরান, হিন্দাল ও আসকারীকে আফগানিস্তানের ৩ অংশের শাসক নিযুক্ত করেন৷ ক্রমেই অকৃতজ্ঞ ভাইয়েরা তাঁর আনুগত্য অস্বীকার করে অস্ত্র ধারণ করেন৷ হুমায়ুন ভাইদের জন্য বিস্তীর্ণ অঞ্চল ছেড়ে দেন৷

তাঁর জাঁকজমক, দয়া ও অনভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে সাম্রাজ্যের আমীরগণ, ক্ষমতাচ্যূত আফগানরা, গুজরাটের বাহাদুর শাহ ও বিহারের শের খান সাম্রাজ্য অস্থিতিশীল করে তোলে৷

অবশেষে তিনি চৌসা ও কণৌজের যুদ্ধে শের শাহের কাছে পরাজিত হয়ে সিংহাসন হারান ১৫৩৯৷ রাজ্যহারা বাদশাহকে ভাইরা কেউ সাহায্য করল না৷ তিনি নানাদিক ঘুরে ইরানে হাজির হন৷ হুমায়ুনের মা ছিল শিয়া, স্ত্রীও শিয়া৷ সাফাভী দরবারে তাঁর স্ত্রীর আত্নীয়গণ প্রভাবশালী ছিলেন৷ তাঁদের সহায়তায় স্বপরিবারে ২য় সাফাভী শাসক শাহ ১ম তাহমাসপের আশ্রয় লাভ করেন তিনি৷

শাহের শর্তমোতাবেক তিনি শিয়া মতবাদ গ্রহণ করেন ও ১০ বছর সাফাভী দরবারে অবস্থান করেন৷ অতপরঃ দীর্ঘ ১৫ বছর রাজ্যহারা থাকার পর তিনি শাহের দেয়া সেনাবাহিনীর সাহায্যে হৃতরাজ্য পুনরুদ্ধার করেন৷

(চলবে)

আবু লাইবাহ (শুভ)

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here