ইসলামের ইতিহাসে মুহারম মাস

0
197

সময় সংবাদ বিডি-

ঢাকাঃ মুহরম মাসের ১০ তারিখে ইসলামের ইতিহাসে অনেক ঘটনা রয়েছে, এই দিনে আদম (আঃ) এর দূয়া কবুল করা হয়েছিলো।।

✅ এই দিনে জাতির পিতা হযরত ইব্রাহীম আঃ কে আল্লাহ্ সৃষ্টি করেন এবং এই দিনেই তিনি নমরুদের অগ্নিকুন্ড থেকে মুক্তি লাভ করেন।
✅এই দিনে হযরত মূসা আঃ তূর পর্বতে আল্লাহর সাথে কথা বলেছিলেন এবং তাওরাত কিতাব লাভ করেছিলেন।

☑️নীলনদে ডুবে ফিরআউন ধ্বংস্ব হয়েছিল এই দিনে।
✅হযরত নূহ্ আঃ জাহাজে সওয়ার ও মহাপ্লাবণ থেকে মুক্তি লাভ করেছিলেন।

✅হযরত আইয়ুব আঃ রোগ হতে মুক্তি লাভ করেছিলেন ও হারানো সম্পদ ফিরে পেয়েছিলেন।
হযরত ইয়াকুব আঃ তাঁর পুত্র হযরত ইউসুফ আঃ কে ফিরে পেয়েছিলেন।

✅হযরত ইউনুস আঃ মাছের পেট থেকে মুক্তি লাভ করেছিলেন।

✅হযরত দাউদ আঃ আল্লাহর ক্ষমা পেয়েছিলেন।
✅হযরত সুলাইমান আঃ পুনর্বার রাজত্বপ্রাপ্ত হয়েছিলেন।

✅হযরত মরিয়ম আঃ এর গর্ভে হযরত ঈসা আঃ পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন এবং এই দিনেই আল্লাহ পাক তাঁকে আসমানে উঠিয়ে নিয়েছিলেন।

✅ পৃথিবী সৃষ্টি এবং সর্বপ্রথম বৃষ্টি নাযিল হয়েছিল।।

উপরের প্রত্যেকটি ঘটনা কুর’আন সুন্নাহ দ্বারা প্রমানিত এবং উপরের যেকোন একটা বিষয়কে কেন্দ্র করেই আমরা আশুরার রোজা পালন করে থাকি।। আশুরার রোজারর সম্পর্কে হাদীসে বর্ননা এসেছে……

☑️ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মদিনায় এলেন তখন দেখলেন ইহুদিরা আশুরার দিন রোজা রাখে। তখন তিনি বললেন: কেন তোমরা রোজা রাখ? তারা বলল: এটি উত্তম দিন। এ দিনে আল্লাহ বনি ইসরাঈলকে তাদের শত্রুর হাত থেকে মুক্ত করেছেন; তাই মুসা আলাইহিস সালাম এ দিনে রোজা রাখতেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: তোমাদের চেয়ে আমি মুসার অধিক নিকটবর্তী। ফলে তিনি এ দিন রোজা রাখলেন এবং অন্যদেরকেও রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন।” [বুখারীঃ ১৮৬৫]

এবং সর্বশেষ এই দিনে যে মর্মান্তিক, হৃদয়বিদারক ঘটনা সংঘটিত হয়েছিল তা হচ্ছে ৬১ হিজরীর ১০ই মহরম রাসূল সাঃ- এর প্রাণপ্রিয় নাতী হযরত ইমাম হুসাইন রাঃ সঙ্গি- সহচরসহ কারবালার ময়দানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে শহীদ হন।।

কারবালার ঘটনার সাথে আশুরার রোজার কোন সম্পর্ক নাই।। আর ইসলামে রাসূল (সঃ) আমাদের যেটা দিয়ে গিয়েছে সেটাই আমাদের জন্য শরিয়ত।। তার মৃত্যুর অনেক বছর পরে কারবালার এই ঘটনা তাই , এই শোক দিবসের নামে , নিজেদের শরীর রক্তাক্ত করা ইসলামের শরিয়তের কোন বিধান নেই।।

অনেকে মনে করে থাকে কারবালার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমরা শোকে রোজা রেখে থাকি, যেটা শরিয়তের সাথে কোন সম্পর্ক নেই।। এটা শিয়াদের একটা ভ্রান্ত আক্বিদা ছাড়া অন্য কিছুই না।। শরিয়তে নিজেদের উপরে বা অন্য কারো উপরে জুলুম অত্যাচার নিষিদ্ধ।।

আল্লাহ বলেনঃ ”রাসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাক” [সূরা আল-হাশরঃ ৭]

🛐আল্লাহ আমাদের সথিক ভাবে জেনে আমল করার তৌফিক দান করুন।। আমীন

✍️-আবু লাইবাহ

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here