ঈদে মিলাদুন নবী বেদ’আত!!

0
47

সময় সংবাদ বিডি 

ঢাকাঃ-রাসূল (সঃ) বলেছেনঃ“আমাকে এমনভাবে প্রশংসা করো না যেমনটি খৃষ্টানরা মরিয়মের পুত্রকে করে থাকে। কেননা আমি তাঁর (আল্লাহর) বান্দা মাত্র। সুতরাং [আমার সম্পর্কে] বল: আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।” [বুখারী]

.
ঈদে মিলাদুন্নবী উৎযাপন ফেরেশতাদের সুন্নত মন্তব্য করেছিলেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিলা মাদ্রাসার মুফতি সৈয়দ অসিয়র রহমান (নাউজুবিল্লাহ)।অথচ এই সুন্নতের কথা আল্লাহ কুর’আনে বলেন নাই,রাসূল (সঃ) বলেন নাই, চার খলিফা (রাঃ) বলেন নাই, চার মাজহাবের ইমাম বলেন নাই,প্রসিদ্ধ হাদীস গ্রন্থের লিখকগনও উল্ল্যেখ করেন নাই।এই সুন্নতের কথা সৈয়দ অসিয়র রহমান কোন ওহির ভিত্তিতে পাইলেন এবং প্রচার করলেন??

আল্লাহ্‌ বলেনঃ “মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ ও রসূলের চেয়ে আগে বাড়িও না এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ সবকিছু শুনেন ও জানেন। [সুরা হুজুরাতঃ ১]
.
ইসলামে কারো জন্ম বা মৃত্যু দিবস পালনের বিধান নেই। ক্রুসেড যুদ্ধের সময় খৃষ্টান বাহিনীর বড় দিন পালনের দেখাদেখি ৬০৪ হিজরীতে ইরাকের এরবল প্রদেশের গভর্ণর আবু সাঈদ মুযাফফরুদ্দীন কুকুবুরী এর মাধ্যমে কথিত ঈদে মীলাদুন্নবীর প্রথা প্রথম চালু হয়। এই বিদ‘আতী প্রথা কোন কোন মুসলিম দেশে বিশেষ করে ভারত উপমহাদেশে শিকড় গেড়ে বসেছে।

এইবার চিন্তা করুন,কার সুন্নত হিসাবে এই কবর পূজারী ভন্ড গুলি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মহাসমারোহে এবং জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী উৎযাবিত করছে??
.
রাসূল (সঃ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি এমন আমল করবে যার ব্যাপারে আমার শরীতের নির্দেশনা নেই, উহা প্রত্যাখ্যাত।” (মুসলিম হা/৩২৪৩)

তিনি আরো বলেন- ” নিঃসন্দেহে সর্বোত্তম কথা হচ্ছে আল্লাহ্‌র কিতাব, সর্বোত্তম পদ্ধতি হচ্ছে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর পদ্ধতি। আর নিকৃষ্ট কাজ হচ্ছে শরীয়াতে নতুন কিছু সৃষ্টি করা, এবং প্রত্যেক বিদ’আত হচ্ছে ভ্রষ্টতা। (মুসলিমঃ ৭৬৮)

“রাসুল (সাঃ) আরো বলেছেন-যে আমার সুন্নাহ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে সে আমার দলভুক্ত নয়। [বুখারীঃ ৫০৬৩]
.
অর্থাৎ যে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর পদ্ধতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে নতুন নতুন ইবাদাত আবিষ্কার করবে অথবা আল্লাহ্‌র নৈকট্যের জন্য নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করবে সে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর পদ্ধতিকে তুচ্ছ মনে করল।

আল্লাহ্‌ বলেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন ক্ষমতা নেই যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট তায় পতিত হয়। [সূরা আহজাবঃ৩৬]
.
দ্বীন পূর্ণাঙ্গ। পূর্ণাঙ্গ কোন জিনিষের ভিতরে নতুন করে কিছু ঢোকানোর থাকে না। একটি গ্লাসে যদি পানি পরিপূর্ণ থাকে তবে সেখানে কি নতুন করে পানি দেয়া যাবে?

আল্লাহ্‌ বলেনঃ “আজ আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীনকে পূর্নাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্যে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম। [সুরা আল মাইদাহঃ ৩]

✍🏿 আবু লাইবাহ।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here