কাঁচা রসুনের কিছু বিস্ময়কর ব্যবহার

0
136


সময় সংবাদ বিডি-

ঢাকাঃ রসুন ঔষধি কাজে ব্যবহার হয়ে আসছে হাজার হাজার বছর ধরে। মানবদেহের ক্যান্সার, ঘা, কুষ্ঠ সারাতে, রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ ও পরিপাকতন্ত্রের হজমজনিত সমস্যা দূর করে রসুন। সর্দি, কাশি, জ্বর, ফ্লু, ব্রঙ্কাইটিস, কৃমি, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য পরিপাকের সমস্যাসহ লিভার ও পিত্তথলির নানা উপসর্গ দূর করতে রসুন অনন্য।এটি ব্রণ বা গলা ব্যথা সারায় দ্রুত, চুল পড়া কমিয়ে নতুন চুল গজায়।

১) লাখ লাখ ইউনিট পেনিসিলিনের সমান অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যক্ষমতা রয়েছে একটি মাঝারি সাইজের রসুনে।

২) অ্যামিবিক ডিসেনট্রি নির্মূলের ক্ষেত্রে এটি বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

৩) রক্তের চাপ ও রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর জন্য প্রতিদিন খাওয়া যেতে পারে; প্রতিদিন তিন থেকে ১০ কোয়া রসুনে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

৪) শরীরের রোগ সংক্রমণ দূর করার জন্য একসাথে তিন কোয়া রসুন দিনে তিন থেকে চারবার চিবিয়ে খান।

৫) উচ্চরক্তচাপ ও রক্তের কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধে রসুনের ভূমিকা অপরিসীম; রসুন রক্ত জমাট নিরোধী অ্যাসপিরিনের মতোই শক্তিশালী।

৬) ত্বকের যে কোন সমস্যা যেমন ফোঁড়া বা ফাংগাল ইনফেকশন ইত্যাদি সারাতে খুবই সহায়ক; কেবল আক্রান্ত সাথে কাঁচা রসুনের রস লাগালেই হবে। ১০/১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলবেন।

৭) কোলন ক্যান্সার ও গলব্লাডার ক্যান্সার প্রতিরোধ করেভ স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়; রেক্টাল ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করে। প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করতেও সহায়তা করে। রসুন ও মধু একসঙ্গে খাওয়ার উপকারিতা:
রসুনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শরীরের অভ্যন্তরীণ অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করে। এছাড়া রসুনের অ্যালিসিন উপাদান কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়, রক্তজমাট বাঁধতে সাহায্য করে। এটি দেহে অ্যান্টি-ক্যান্সার এবং অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল প্রভাব ফেলে থাকে।

বিশুদ্ধ মধুতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এনজাইম, আয়রন, জিঙ্ক, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম এবং সেলিনিয়াম রয়েছে।
কয়েক কোয়া রসুন ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে ২ টেবিল চামচ মধুর সঙ্গে মেশান।

মিশ্রণটি সকালে খালি পেটে খান। ৭ দিন নিয়মিত খেলে দূরে থাকতে পারবেন বিভিন্ন রোগবালাই থেকে।

জেনে নিন রসুন ও মধু একসঙ্গে শরীরের কী কী উপকার করে- শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় রসুন-মধু।

গলা ব্যথায় স্বস্তি পেতে এ দুটি উপাদান একসঙ্গে খেতে পারেন। গলার খুসখুসে ভাবও কমাবে এটি।
মধু ও রসুন ডায়রিয়া দূর করতে সাহায্য করে।
রসুন ও মধু একসঙ্গে খেলে দূর হয় ঠাণ্ডা লাগার অস্বস্তি। সর্দি-কাশিতে এটি প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে।

ফাঙ্গাল ইনফেকশন দূর করে মধু-রসুন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here