নষ্টদের একটি বড় চারিত্রিক বৈশিষ্ট হলো, তারা কোনো কিছু সৃষ্টি করতে পারে না

0
164

সময় সংবাদ বিডি

ঢাকাঃ এই মন মৃত দেহ কাষ্ঠে জীবন শুধু অভিশাপ, ভোগ্য পণ্য হইয়া বাঁচিব কত করিয়া শত পাপ। চরিএ মহান আল্লাহ পাকের দেওয়া মানুষের একটা মহৎ গুণ,কেউ বা এই মহৎ গুণকে ধরে রাখে। আবার কেউবা এটাকে বুঝে না বুঝে জেনে হয়তবা না জেনে নষ্ট করে,আসলে চরিএই হচ্ছে মানব জিবনের একটা গুরুত্বপূন সম্পদ।

আর নষ্টদের একটি বড় চারিত্রিক বৈশিষ্ট হলো তারা কোনো কিছু সৃষ্টি করতে পারে না। তাই কবি বলে ছিলেন (নষ্ট কথার মালা গেঁথে দিলাম সময় পাড়ি শুনলোনা কেউ আমার কথা সবাই দিল আঁড়ি)  তারা অসুর,ধ্বংসকারী,অমার্জিত,অসংস্কৃত,লোভী, ভগী,শাস্তিদাতা,নির্মম,হিতাহিত জ্ঞানশূন্য,বটে। প্রতিহিংসাপরায়ণ,বিকৃত রুচির। তারা যা কিছু স্পর্শ করে তা-ই অসুন্দর হয়ে যায়, তারা যা কিছুর দিকে লোলুপ দৃষ্টি ছুঁড়ে মারে সে-সব কিছুই পুড়ে পুড়ে অঙ্গার হয়ে যায়। আজ যদি আমরা সমাজের দিকে তাকাই তাহলে এসব চিত্রই অবলোকন করে দেখাযায়।প্রেমিকার বক্ষে প্রেমিকের জন্য আজ এতটুকু ভালোবাসা অবশিষ্ট নেই কিশোরীর চোখে নেই স্বপ্নময় ভীরুতা, নারীর স্পর্শে নেই আরণ্যক ঋষিদের আবিষ্কৃত সেই মায়ার জাদু। নষ্টদের দানবিক থাবায় রমণীর সবটুকু রমণীয়তাই আজ চোরা পথে নিঃশেষিত।

পৃথিবীর অপার সৌন্দর্যরাশি পাপিষ্ঠদের পাপে জীর্ণ হয়ে গেছে। তবু দূরবর্তী দুর্গম হৃদয়ে অবশিষ্ট ছিল কিছু সামান্য আলোক। সেই সামান্য মহিমাও আজ আক্রান্ত হচ্ছে নষ্টদের রাবণীয় আগ্রাসনে।এভাবে সব কিছু যদি একদিন নষ্টদের শোষক প্রাসাদে বন্দী হয়ে পড়ে, কি-ভাবে টিকে থাকবে আমাদের পৃথিবী ? স্বপ্নকে সম্বল করে বেঁচে থাকবে-কিভাবে এখানে বাস করবে মানুষ। ভবিষ্যৎবাণীতে -গুনি ব্যক্তিরা বলেছেন কিছু অসহায় নারী,ক্রমে ক্রমে বন্দী হয়ে পড়বে নষ্টের… উরুসন্ধিতে,প্রেমিকারা প্রেমিকের নিখাদ প্রেম প্রত্যাখান করে সামান্য সুখ আর সচ্ছলতার লোভে,নষ্ট হবে জীবন।

এই নষ্ট জীবন নিয়ে কি আর হবে জীবন যদি বদল করা যেতো তাহলে ভাল জীবন হতো। সেই নষ্ট মানুষের জীবন এখন সারাবেলা। কথায় আছে যে তোমার চোখের জলের মূল্য বোঝেনা, সে কি করে তোমার রক্তের মূল্য বোঝবে ? অষ্ট প্রহর কষ্টচাষী দৃষ্ঠতা দেখায় হাসিতে, নষ্ট জীবন ভ্রষ্ট পথে কজন’পারে তা বুঝিতে.? আসলে সুখ সেতো ভাগ্য বিধাতা লিখে ক’জনে তাহা বুঝে? কখনোও কারো জীবন নষ্ট করতে যেওনা,,,তাহলে দেখবে ভুল করে তোমার জীবনই নষ্ট হয়ে যাবে।

সেই নষ্ট জীবন আজ আঁধারে বাস, কত শত চোখের জল রিক্ত মাটি সিক্ত হয়েছে, কত বুকের আর্তনাদ দেখে সমুদ্র করেছে গর্জন, জ্যৈষ্ঠের নীল আকাশ সেও অঝোরে ঝরিয়েছিল বর্ষণ! বুঝেছ কি, কি যন্ত্রনা  বুকের পাঁজর ভেঙ্গে হয়েছে খান খান। কিন্ত সুখের মোহনাতে সুখকে করেছি উৎস্বর্গ তাই তো বিশ্বাসের বুকে ছুরি চালিয়ে আঁধারে ঠেলে নষ্ট করেছি জীবন। কারো হাতের দ্বীপশিখা করে যদি আঁধার আলোকিত আমি ও তার সান্নিধ্য পেতে ভালোবাসা করব উৎস্বর্গ হোক সে নশ্বরনারী। সাঁঝের প্রহরে ভালোবাসার বুকে কেউ একটু ভালোবেসে দ্বীপ জালায়, না আজ, আমি যে আঁধারে সমাধীত । এই আঁধারের গহিনে ডুবে থাকা ভালোবাসার বুকে দ্বীপশিখা জ্বালিয়ে দিতে শেষ বেলায় কেউ আসেনি। যদি কেউ নিজ থেকে কোন কারনে নষ্ট হলেও কোন ভাবেই তাঁকে ফিরিয়ে আনাটাই অসম্ভব.? তাই নিজ মনের, চরিএটাকে ঠিক করতে হবে। অদ্বিতীয় সুখে,পরস করে দিলে এক পলকে সেই থেকে গুছিয়ে আঁধারে জীবন আবারও আলো নিয়ে আসতে হবে। আর একটু সুখের পরশ বুলিয়ে দিয়ে ভাঙ্গা বুকে মুছে দিতে হবে, মুছে দিতে হবে,চোখের জল তাহলে এই অসম্ভব। যে মানুষের চরিএ সত্য,সৎ ও সুন্দর হয় তার কথাবাতাই অটোমেটিক নম্র ভদ্য হয়ে যায়,এটাই সত্য কারণ সত্য অলোয়েজ সুন্দর হয়,,,তাই চরিএকে সুন্দর করতে হবে আমাদের  সবচেয়ে আগে। ই সবপ্রথম ভাবা উচিৎ সকলের, কিন্ত অপেক্ষার পালা শেষ হয়।

আর নষ্টের জীবন সেই নষ্ট থেকে যায়, তবুও কেউ অদ্বিতীয় সুখে পরস দিতে এলো না।

লেখক -জসিম ভূঁইয়া

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here