‘না’ ভোট ও ‘সেনা মোতায়েন’ গুরুত্ব পাচ্ছে সংলাপে

0
22

অর্ধেক সুশীলও সংলাপে আসেননিমোঃ জমিস ভুঁইয়া,সময় সংবাদ বিডি- ঢাকা:জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রোডম্যাপ, আইন সংস্কার, সীমানা নির্ধারণসহ অন্যান্য বিষয়ে মতামত নিতে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন (ইসি)’র সংলাপ চলছে।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এ সংলাপ শুরু হয়।

সোমবার অনুষ্ঠেয় প্রথম ধাপের সংলাপে অংশগ্রহণের জন্য সুশীল সমাজের ৫৯ প্রতিনিধিকে ইসির পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও অংশ নিয়েছেন মাত্র ৩০ জন। দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সংলাপ শেষ করে বের হয়েছেন প্রতিনিধিদের অন্তত ৭ জন।

সংলাপে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সেনা মোতায়েনের উপর জোর দিয়েছেন প্রায় প্রত্যেকেই। একই সঙ্গে ‘না’ ভোটের কথাও বলেছেন তারা।

সংলাপ শেষে বেরিয়ে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. আসিফ নজরুল বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি শক্তভাবে পালন করতে হবে। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। ভোটের কাউন্টিং ঠিকভাবে করতে হবে। নির্বাচনে সেনা মোতায়েন ও ‘না’ ভোটের কথাও বলেছেন তিনি।

গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ইসির প্রথম কাজ আস্থা অর্জন। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সেনা মোতায়েন করতে হবে। ‘না’ ভোটের বিধানও রাখতে হবে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা হাফিজ উদ্দিন সেনাবাহিনীকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েনের কথা বলেন। একই সঙ্গে ‘না’ ভোটের কথাও বলেছেন তিনি।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, সেনা মোতায়েনের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেনা মোতয়েন ‘দৃশ্যমান’ করতে হবে। এই সংসদ ভেঙে দিতে হবে। ইসি একতরফাভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে না।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here