নিশ্চয়ই “বিবাহ”একটি ইবাদত

0
42

সময় সংবাদ বিডি

ঢাকাঃ চরিত্রিক অদপতন রোধের সবচেয়ে বড় ও একমাত্র মাধ্যম হল বিবাহ।

গুণীজনেরা বলতেন,”বিবাহকে সহজ করে দাও,
যেনা বন্ধ হয়ে যাবে। অথচ আমাদের সমাজের চিত্রটা পুরোপুরি উল্টো! যার বাস্তবতায় আমরা দেখছি  বর্তমান সময়ে “বিয়ে”র বাজার টা অনেক কঠিন হয়ে গিয়েছে পক্ষান্তরে “হারাম রিলেশান বা যেনার বাজার ” সহজ  হয়ে গিয়েছে!

কেন এমন হল?

সমাজিক কুসংস্কারঃ আমাদের সমাজ এতটাই কুসংস্কারপূর্ন যে, ১শ টাকায় যেনার রাস্তা উন্মুক্ত হলেও ১ লাখ টাকায় বিয়ের রাস্তা খুজেও পাবেন না! শুধুমাত্র যার একটি মেয়ে বা বোন আছে সে ই কেবল তা অনুধাবন করতে পারেন!

বড় অংকের কাবিন, ভেড়ার পাল খাওয়ানো,রাজকীয় সাজ সজ্জাসহ বিলাশবহুল অনুসঠান  না হলে নাকি সমাজে মুখ দেখানো সম্বব হয়না! তাই ভিটে মাটি বন্দক রেখে মেয়ে কিংবা বোনকে বিদায় করতে হয়!

আধুনিক যৌতুকঃ

সরকার প্রায় সময় বলে যে,আমরা যৌতুক মুক্ত বাংলাদেশ গড়েছি, আদতে এটা বাস্তবতা বিবর্জিত! কেননা আগে শুধুমাত্র একটা অংকের টাকা দেওয়া হত যৌতুক হিসেবে কিন্তু এখন আর তা হচ্ছেনা বরং শিয়ালগুলো যৌতুককে আধুনিকায়ণ করে পায়খানার লোটা টা ছাড়া বাকি সবই নিচ্ছে! সামাজিকতা রক্ষায় লেপ-তোশক,গরু-ছাগল, সোফা-টেলিভিশন, পার্নিচার – আসবাবপত্র এসব দাবি করা ছাড়াই দিতে হচ্ছে!  আর না দিলেও বহু ফ্যামেলি মেয়েকে অশান্তিতে রাখে! এসব যোগাড় করতে গিয়ে মা-বাপের নাভিশ্বাস বের হয়ে যায়! পরিশেষে – মেয়েটি নিজেকে তার পরিবারের জন্য অভিশপ্ত মনে করে।

দ্বীনদার যাহিলঃ

আজকাল সমাজের দোহাই দিয়ে,অভিভাবকদের চাপে বাধ্য হয়ে কিংবা নফসের পুজারী হয়ে বেদ্বীনের পাশাপাশি দ্বীনদার পাত্র পাত্রীরাও জড়িয়ে পড়ছেন নানানরকম হারাম কাজে যেগুলো মূলত অ-মুসলিমদের দ্বারা সৃষ্ট কিংবা ইসলাম বর্হিভুত!
একজন মধ্যবৃত্ত দ্বীনদার পাত্র কিংবা গরিবের ঘরে জন্ম নেওয়া দ্বীনদার মেয়েটাকে কেউ বিয়ে করতে চায় না! কারণ সবার কাছে “টাকা” টা ই মেইন! ফলে পয়সাওয়ালী বেদ্বীন পাত্রী কিংবা পয়সাওয়ালা  বেদ্বীন  পাত্রের কদর সবার উপরে!
মোট কথা এই সমাজে “দ্বীন” টা  অধিকাংশ মানুষের নিকটে উপেক্ষিত বরং তা শুধুমাত্র মুখের বুলিতে কিংবা ফেবুতে সীমাবদ্ব!

একটা কথা মনে রাখুন,
আপনি শুধুমাত্র একজন সেক্স পার্টনার নয় বরং আপনার দ্বীনের অর্ধেক হেফাজতকারিনী, আপনার ভবিষ্যৎ বাচ্চার মা চয়েস করছেন! সুতরাং কাকে অগ্রাধিকার দিবেন এটা এখনই ঠিক করে নিন!

শেষ কথাঃ
বিয়ের নিয়ত ছিলো- হারাম সম্পর্ক থেকে দূরে থেকে শরীয়াহ মোতাবেক জীবন যাপন করা। অথচ সেই পবিত্র জীবনে পদার্পনের শুরুটাই হয় স্ত্রীর পরিবারের উপর যুলুম, সামাজিক কুসংস্কার, বেহায়াপনাসহ আল্লাহর নাফরমানির মধ্য দিয়ে!

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে যাবতীয় ফিতনা থেকে হিফাজত করুণ (আমীন)।

✍ আহমেদ মতিউর রহমান ।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here