পুঠিয়া-দুর্গাপুরের উন্নয়নে এমপি দারার বিকল্প নেই

0
1721

এস এম শাহাজামাল,দুর্গাপুর:

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী হিসেবে একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও এলাকায় তৃনমূল জন সমর্থনে এগিয়ে রয়েছেন বর্তমান সাংসদ আব্দুল ওয়াদুদ দারা।

রাজশাহী-৫ আসন (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) উপজেলা নিয়ে গঠিত এ এলাকা এক সময়ে চার দলীয় জোট বিএনপির ঘাটি হিসেবে পরিনত ছিলো। পুঠিয়া-দুর্গাপুরের মাটি ও মানুষের নেতা হিসেবে পরিচিত আব্দুল ওয়াদুদ দারার যোগ্য নেতৃত্বের কারনে আসনটি আওয়ামীলীগের ঘাটিতে পরিনত হয়েছে।

২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আব্দুল ওয়াদুদ দারা। এর আগে ২০০৮ সালে এ আসনটিতে তৃনমূল ভোটারদের প্রার্থীই ছিল দারা। যার ফলে ২০০৮ সালে রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে ৯৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ নৌকা প্রতীকে ভোট পেয়ে দেশসেরা এমপি হিসাবে সংসদে আসন গ্রহন করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে দেশসেরা হয়ে এ আসনটি উপহার দেবেন বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেছেন তৃনমূলের আওয়ামীলীগ সমর্থকেরা। ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে এ আসনটিতে পিছিয়ে ছিলেন আওয়ামীলীগ। এমপি দারা ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার পর অবহেলিত রাজশাহী-৫(পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের বাস্তব চিত্র পাল্টে দুটি উপজেলার রাস্তা ঘাট পুল কালবার্ট স্কুল কলেজ মসজিদ মাদ্রাসা মন্দির স্বাস্থ্য সেবার ব্যাপক উন্নয়ন অব্যাহত রেখে আমূল পরিবর্তন এনেছেন তিনি। উপজেলার প্রতিটি ওয়ার্ড মহল্লায় সভা সেমিনার করেন মাদক বাল্য বিবাহ জঙ্গি ও সন্ত্রাস নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে তিনি যুদ্ধ ঘোষনা করেন। মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবন না করার জন্য শপথ করান মাদক ব্যবসায়ী ও সেবন কারীদের। বিভিন্ন নিতিবাচক কাজ করে এলাকার সাধারন ভোটারদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৫(পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনটিতে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও তাদের সাধারন ভোটারদের কোন সমর্থন নেই । কারণ র্তৃনমূল ভোটারদের পাশে  সুখে দুঃখে এ মানুষটি কাজ করে চলেছেন। কোন ভাবে সে অন্যায়কে সর্মথন করেননি। এমনকি প্রয়োজনে দলীয় নেতাদেরও অন্যায়কে সমর্থন দেননি। যারা নিজের স্বাদ্ধসিদ্ধি আদায়ে আওয়ামীলীগ করেছেন তাদেরও ছাড় দেননি এমপি দারা। তারাই আজ বিভিন্ন গুজুব ছড়িয়ে চলেছে। তবে আওয়ামীলীগের তৃনমূল নেতাদেও মধ্যে কোন দ্বিধাদ্বন্দ নেই বলে দাবি করছেন দুর্গাপুর উপজেলা আওয়ামীলেিগর সভাপতি নজরুল ইসলাম।

দুর্গাপুর উপজেলার ব্যবসায়ী রুস্তুম ,সিরাজুল ইসলাম, আকরাম,ভ্যান চালক নূরশেদ, আইয়ুব আলী, খলিলুর রহমান, শিক্ষক মোনতাজ আলী, দুর্গাপুর উপজেলার ব্যবসায়ী ফিরোজ, বলেন, আব্দুল ওয়াদুদ দারার আগে (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে যারা এমপি নির্বাচিত হয়েছেন তাদের দ্বারা এলাকার উন্নয়ন এবং শান্তি ফিরাতে পারেনি। কিন্তু এমপি দারা নির্বাচিত হওয়ার পরে এ আসনে উন্নয়ন ও শান্তির ছোড়া লেগেছে।  এমনকি এমপি হওয়ার পর এলাকায় তাদের দেখাও মেলেনি তারা ছিলেন জনগণ হতে বিচ্ছিন্ন। কিন্তু দারা এমপি হওয়ার পর হতে জনগণের সাথে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে, তিনি এলাকার যথেষ্ট উন্নয়ন করেছেন, আমরা প্রাকৃতিক দূর্যোগসহ সকল বিষয়ে তাকে যথা সময়ে কাছে পেয়েছি। আমরা চাই (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে তিনিই আবার আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পাক। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে এলাকায় তাদের কোন অবস্থান নেই, তাদের আগে কখনো এলাকায় দেখা যায়নি, তারা কেউ কখনো পুঠিয়া-দুর্গাপুরের মানুষের উপকারে আসেনি, তাই তাদের পক্ষে আমাদের কোন সমর্থন নেই। আব্দুল ওয়াদুদ দারাকে পুঠিয়া-দুর্গাপুরের মানুষ সুখে দুঃখে কাছে পেয়েছি। দারার যোগ্য নেতৃত্বে পুঠিয়া-দুর্গাপুরের চিত্র বদলে গেছে, এবং পুঠিয়া-দুর্গাপুরের উন্নয়নে দারার কোন বিকল্প নেই। আমরা সকলেই আবার পুঠিয়া-দুর্গাপুরের উন্নয়নে নৌকার মাঝি হিসেবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দরাকে দেখতে চাই।#

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here