বিলিনের পথে ম্যাগনেট পিলার

0
104

 

জসিম ভুঁইয়া,সময় সংবাদ বিডি-

ঢাকাঃ অামাদের চার পাশ্বে একশ্রেণীর লোক রয়েছে এগুলোর খুঁজে৷ দয়া করে তাদের এরকম কার্যক্রম দেখল সঙ্গে সঙ্গে অাইন প্রয়োগকারী সংস্থা সহ মিডিয়া কর্মীদের অবহিত করুন৷

ঝড়-বৃষ্টির দিনে বজ্রপাত স্বাভাবিক প্রাকৃতিক ঘটনা। তবে ইদানীং সামান্য বৃষ্টিপাত বা ঝড়ো বাতাস হলেই ঘটছে বজ্রপাত। এর আঘাতে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। বিষয়টি ভাবিয়ে তুলছে গবেষকদের। তাদের মতে, বজ্রপাতের বড় কারণ বায়ুদূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন, মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক টাওয়ার। এছাড়া ধাতব পিলার (ম্যাগনেটিক পিলার) চুরিকেও এর অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন গবেষকরা।

ব্রিটিশ আমলে এই পিলার গুলি বাংলাদেশের জমির সীমানা র্নিধারন বা জমির সঠিক মাপ করার জন্য প্রতিটি মৌজার মধ্যে দু চারটি করে মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছে। এর আর একটা গুন হলো ঝড় বৃষ্টির সময় আকাশে যে বিদ্যুৎ চমকায় তার পর বাজের শব্দে আগুনের ফুলিংগ হয়ে মাটিতে পরে সেটাকে প্রতিরোধ করা। যাতে কোন মানুষ বা জীব জন্তুর খতি না হয়।

এখন প্রায়ই খবরে শুনে থাকবেন বর্যপাতে(ঠাঁটা পরে) দুচার জন লোক মারা যাচ্ছে। কারন একটাই অাজ ২০/২৫ বছর যাবৎ এই ম্যাগনেট পিলার গুলি বিভিন্ন জায়গা থেকে চুরি হয়ে যাচ্ছে । এটা এমন একটা ধাতব পদার্থ যাহা শুধু মানুষের জীবন রক্ষা করে না ভুমিকম্পনও প্রতিরোধ করে থাকে।

খুবই দামী একটা জিনিস, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী লোক এই মেগনেট পাথর গুলি রাতের আধাঁরে চুরি করে বিদাশে পাচার করে কোটি কোটি, টাকা অায় করছে। এ পিলারের মধ্যে এক ধরনের বিশেষ ধাতব তার আছে, যা বজ্রপাতকে মাটিতে টেনে নেয়। কিন্তু এ পিলার চুরির ফলে বজ্রপাত যেখানে সেখানে আঘাত হানছে। ঘটছে প্রাণহানি।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে প্রচুর বজ্রপাত আঘাত হেনেছে। এতে মৃতের সংখ্যাও বেড়েছে বহুগুণ। কয়েক বছরে বজ্রপাতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কিত অনেকেই।

বজ্রপাতে হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি ধারণা, ব্রিটিশ শাসনামলে মাটির নিচে বসানো জেলা, মহুকমা ও ইউনিয়নের সীমানা নির্ধারণী ধাতব পিলারগুলো (সীমানা পিলার) চুরি হয়ে যাওয়ায় বজ্রপাতে আহত-নিহতের সংখ্যা বেড়েছে।

এই পিলারগুলো বজ্রপাতের সময় উচ্চ ইলেকট্রিক চার্জ শোষণ করে আর্থিংয়ের কাজ করত বলে ধারণা করা হয়। তাই এই পিলারগুলো যতদিন বহাল ছিলো সে সময়ে বজ্রপাত হলেও আহত-নিহত কম হতো।
অভিযোগ রয়েছে, সীমানা পিলার মূল্যবান হওয়ায় একশ্রেণির অসাধু মানুষ গভীর রাতে এগুলো তুলে নিয়ে গেছে। অনেক সময়ই এসব পিলারসহ একাধিক ব্যক্তি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়েছে বলে খবরও পাওয়া গেছে।

ফলে ক্ষতি হচ্ছে দেশ এবং দেশের মানুষের।তাই আপনার এবং আমার আমাদের সকলের দায়ীত্ব এগুলি রক্ষা করা।পিলার চুরির বিভিন্ন চক্র এখনও সক্রিয় রয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here