বেপরোয়া হিজড়াদের উৎপাতে অতিস্ট জনজীবন!

0
136

সময় সংবাদ বিডি-

ঢাকাঃ বাড়িতে-গাড়িতে হিজড়াদের উৎপাত লাগামহীন বেড়েই চলেছে! এ যেন দেখার কেউ নাই। রাস্তায়, বাড়িতে যখন তখন হিজড়া নামক প্রাণিগুলো ঝাঁপিয়ে পড়ে কোন অধিকারে! ছিনতাইকারী আর হিজড়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। উভয়ই সুস্থ্য মস্তিস্কের এবং সুস্থ্য শরীরের অধিকারী সবল মানুষ। তাহলে ছিনতাইকারী গ্রেফতার হলেও চাদাবাজঁ, ছিনতাইকারী হিজড়ারা গ্রেফতার হয় না কেন? আইনের কোন ধারাবলে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে? আমি প্রশাসনকেও অসহায় হতে দেখেছি তাদের সামনে। কিন্তু কেন? ল্যাংটা হয় বলে? প্রকাশ্যে ইজ্জতভ্রষ্ট করে বলে? এটা করে যদি আইনকে ধরাশায়ী করা যায়, তবে ছিনতাইকারী অস্ত্র ছেড়ে ল্যাংটামো শুরু করলেই সব হালাল হয়ে যাবে? যদি তা না হয়, তবে হিজড়াতে কেন?

তারা তো প্রতিবন্ধী নয়, নয় শারিরীক অক্ষম কিংবা মানসিক অপ্রকৃতিস্থ! সমাজের আর দশটা সুস্থ্য মানুষের মতো বাস করে অন্য মানুষের ক্ষতিসাধনের অধিকার তারা পায় কিভাবে? সবল মানুষ কর্ম করে খাবে, না পারলে ভিক্ষা করবে, কিন্তু ডাকাতি করতে পারে না। বস্র তুলে দিয়ে ছিনতাই করতে পারে না। রাষ্ট্র যদি তাদেরকে অক্ষম বলে মনে করে তবে তাদের পুনর্বাসিত করুক, আপত্তি নেই। কিন্তু জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারীকে প্রশ্রয় দেবার অধিকার সভ্য রাষ্ট্রের নেই, থাকতে পারে না।

তৃতীয় লিংগ বলে যারা তাদের জন্য কান্নাকাটি করে, তারা পারলে নিজের বউয়ের গয়না বিক্রি করে হিজড়াশ্রম খুলে বসুক। কিন্তু চতুর ছিনতাইকারিদের পৃষ্ঠপোষকতা করার চেষ্টা না করাই ভালো। আমি দেখেছি কী অমানবিকভাবে একজন অভাবী মানুষকেও সন্তানের মুখে দুধ তুলে দেবার আগেই সন্তান জন্মানোর কাফফারা দিতে হয়! এই অদ্ভুত প্রজাতির ছিনতাইকারীদেরকে।

ছিনতাই এর শিকার হলে আইনের আশ্রয় পাওয়া যায়, হিজড়াতে আক্রান্ত ব্যক্তি সে অধিকার থেকে বঞ্চিত। সভ্য রাষ্ট্রের দায়িত্ব সব ধরনের অপরাধ থেকে রাষ্ট্র কে নিরাপদ রাখা। হিজড়ার অপরাধে যদি শাস্তি না থাকে, তবে ক্ষুধার্ত চুরি করলে অপরাধ হবে কেন? বিকলাঙ্গ ব্যক্তিকে ভিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে অলিগলি কে ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষণা করা হবে কেন? ফুটপাতের পাশে নিম্ন আয়ের মানুষের বেচা কেনায় হস্তক্ষেপ করা হবে কেন?

একই রাষ্ট্রে দুই আইন থাকতে পারে না। হিজড়ারা শারিরীকভাবে সুস্থ্য। হয় তারা মূলধারায় আসবে, নয়তো অপরাধি সাব্যস্ত হবে। বেশ কিছু হিজড়াকে কাজ দিয়ে দেখা গেছে, তারা কাজ করতে রাজি নয়। পরিশ্রম না করে অন্যের পরিশ্রমার্জির অর্থে বিলাসী জীবন যাপনে তারা অধিক আগ্রহী! এর শেষ হওয়া প্রয়োজন ।

(আব্দুল্লাহ আল মামুন) -সম্পাদক দৈনিক আমার   প্রাণের বাংলাদেশ।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here