ভাইয়ের পানফুল

0
70

সিকতা কাজলসময় সংবাদ.কম–ঢাকা:

কবি –সিকতা কাজল

আকাশের উপর আকাশ

মোমবাতি পুড়ে ক্ষয়ে যায়।

র্দীঘ হয় অন্ধকারের শরীর

কুকুর ঘেউ-ঘেউ করে

সারারাত জীবনের অভিধানে অক্ষর

শব্দ বাক্যের মেলবন্ধন

শুধু ভাইয়ার পানফুল ভেসে -ভেসে ক্লান্ত হয়।

জোড়া – জোড়া হাত আকাশে জড়ো হয়।

আমি হাত দেখি সাদা কালো ,শ্যামলা ,র্ফসা

হাতগুলো খুঁজতে – খুঁজতে আমি ক্লান্ত হই।

হাত কি তবে হারিয়ে গেছে?

ভাইয়ের পানফুল বোনটি সেই কবে হাত ধরেছিলো

সে হাতের মানচত্রি পথ

চামড়ার ভিতর বয়ে যাওয়া রক্ত স্রোত পার হয়ে বোনটি

দৌঁড়াতো খালে ,বিলে, মাঠে ,স্কুলে গ্রামরে মোঠোপথে।

সোনাইতলি বিলের ধারে গিয়ে বসতো

পানফুল ধানের সখ্যে ; মাছেদের নি:শ্বাসে জমে উঠতো রাতের গল্প।

নির্জনতা গ্রাস করতো চারপাশ।

শুধু পানফুল নক্ষত্রসম কোলাহল নিয়ে ভাইয়রে বুকে মহাকালের জাজিম হতো।

পোশাকী পৃথিবী আজ ভাইয়ের পানফুলকে নোলক বিহীন এক গ্রামীন নারী বানিয়ে দিয়েছে।

যার সিঁথিতে এখন জমা হয় সভ্যতার ইতিহাস।

সিঁথির পথ ধরে ভাইয়ের নাকফুল হাঁটে।

হাঁটতে – হাঁটতে পা গোনে  পায়ের মাপ দেখে পা খোঁজে।

একজোড়া পায়ের সাথে জীবনের সমস্ত শূণ্যতা জড়িয়ে থাকে।

পানফুল ভাইয়ের হাতের মাপ রেখা মানচিত্র হারিয়ে কেবল পা খোঁজে।

যে পা হাঁটতে পারবে ,আমৃত্যু একসাথে একপথে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here