‘মোরা’র আঘাতে টেকনাফে তিন হাজার ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত

0
310

মোরা কেড়ে নিল তিন প্রাণ

সময় সংবাদ বিডি,টেকনাফ:-ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাতে কক্সবাজারের টেকনাফে প্রায় তিন হাজার ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে প্রাণহানির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।মঙ্গলবার সকাল ৬টায় প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোরা টেকনাফে আঘাত হানে।
সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর আহমেদ জানান, ঘূর্ণিঝড় মোরা আঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেন্ট মার্টিন ও শাহপরী দ্বীপে। এ ছাড়া অন্যান্য জায়গায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মোরার আঘাতে প্রায় তিন হাজার ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নসহ গাছ-পালা উপড়ে গেছে। সড়ক ও নৌপথে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ হোসেন সিদ্দিক জানান, মোরার আঘাতে টেকনাফে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ জানার চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও জানান, ঘূর্ণিঝড় আঘাতের পর প্রাথমিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, মোরা ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার বেগে টেকনাফে ও ১১৪ কিলোমিটার বেগে সেন্টমার্টিনে আঘাত করে। এছাড়া কক্সবাজারে ১১৫ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানে।

তিনি আরও জানান, আঘাত হানার পর সকাল ৮টার দিকে কক্সবাজার অতিক্রম করে মোরা।

মঙ্গলবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোরা এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

মোরার কারণে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here