যদি হয় দেখা যদি দেখি মুখ

0
261

জসিম ভুঁইয়া 

সময় সংবাদ বিডিঃ ঢাকা

হে দীনতা…….হে দীনতা…….
প্রভাতের করুণ অরুণ আলোয়

যে পাখি প্রথম দেখেছিল মুখ,

নিঃশব্দে এসেছিলে শিশিরের বুকে।

তারপর চুষে নিয়েগেছো তুমি নির্যাসিত নিরেট সুখ।
আলো আর অন্ধকারের ভালো মন্দের মাঝখানে,
আমি চেয়ে দেখি দুরের কোন হিংস্র নেকড়েরা-
আপাদমস্তক ভদ্র মহোদয়।

নিজেরে করিতে জয়,-অদ্ভুত এক মানব জনমে……
যে পারে নাই নিজেকে চিনিতে।
কত নরম হাওয়া দেহখানি শীতল করে শীতে
ঝংধরা নাজাহেল বুদ্ধি পেয়েছিল লোভ।

খুনখারাপি আর রাহাজানির আদিম স্তব- যেন।
এই প্রযুক্তির যুগে এখনও মনেহয়।
বাহিরের এক আমি আর ভিতরের এক আমি একনয়। স্নিগ্ধ নদীর মন আর নির্জনতা ভাঙ্গে কিশোরীর, কোলাহল।

এই জীবন একবিন্দু শিশিরের চেয়েও ছোট এককণা- জল।

একদিন ধুয়ে মুছে যায়,ভালোবাসা গুছে যায় – মহা অনন্তের পথে….
মাঠের পরে মাঠ যুগান্তরের সবুজ ধানক্ষেতে-
মহাকালের মহাযুগের রথে চরে।

কেউ যদি দেখে ফেলে শূন্যতার ভয়ংকর ভয়।
বেঁচে থাকা জীবন আর অনুভূতি একনয়!!
কে যেন তাড়িয়েছিল শালিকের জাঁক..?
কোকিলের কহুতানে মনে ঘরেকে যেন দিয়েছিল ভীড়।

সদাকালো দুটি চোখ সরল তারচেয়েও সরল মনেহয় আমারি কল্পনার এক পৃথিবীর,-আছে-
ওখানে লুকানো সুখ’…… নিজের মতন করে, অভিমান ভরে সে এসে চলে যায়।লোকালয়ে হতে লোকান্তরে লুকায় একখানি মুখ।প্রিয় প্রতিপাদ্য আর পদ্যের প্রতিদানে—হাজার হাজার বছরের ক্লান্ত গুছে একবার যদি হয় দেখা যদি দেখি মুখ।

কবি কাজী আসলাম

 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here