যে সকল নারী অভিশপ্ত

0
95

সময় সংবাদ বিডি-

ঢাকাঃ আল্লাহ বলেছেন, “রাসুল যে বিধান তোমাদেরকে দিয়েছেন তা গ্রহণ করো, আর যা থেকে নিষেধ করেছেন, তা থেকে বিরত থাক।” [সুরা হাশরঃ ৭]

আপুরা, আজকাল আপনারা বিয়ের অনুষ্ঠান বা কোন পার্টিতে নিজেকে আকর্ষনিয় দেখাতে যারা ভ্রু প্লাক করে, নকল চুল ব্যাবহার করে,দাঁতের মাঝে (সুষম) ফাঁক সৃষ্টি করে, নিজের চেহারা কে আকর্ষণীয় বানাতে চান আসলে আপনি আকর্ষণীয় হওয়ার সাথে সাথে আল্লাহর রাসূল (সঃ)-এর অভিশাপের শিকার হচ্ছেন।। অনেক কে আবার দেখা যায় বিভিন্ন দিবসে বা প্রোগ্রামে গাঁয়ে উল্কি (ট্যাটু) আঁকে নিজেকে আকর্ষনিয় করে প্রদর্শন করে থাকে সেটার জন্যও রাসূল (সঃ)-এর অভিশাপের মাশুল গুনতে হবে।। অথচ এই ব্যাপারে আপনারা কোন ভ্রুক্ষেপই করছেন না।।

রাসূল (সঃ) বলেছেনঃ যেসব মহিলা নকল চুল ব্যবহার করে এবং যারা অন্য মহিলাকে নকল চুল এনে দেয়, যেসব মহিলা উল্কি অঙ্কন করে এবং যাদের জন্য করে, রাসূল স. তাদের অভিশাপ দিয়েছেন। [বুখারীঃ ৫৫৯৮, মুসলিমঃ ৫৬৯৩]

যেখানে কেউ নবী (সঃ)-এর শাফায়েত ছাড়া জান্নাতে প্রবেশ করবে না , সেখানে অভিশপ্ত রূপবতী হয়ে কি করে দুনিয়াতে নিশ্চিনতে বসবাস করে যাচ্ছেন?? আজকাল অনেক নারীরা, এমনকি অনেক স্বলাত আদায়কারী হিজাবি মহিলারাও বিউটি পার্লার মুখি হয়ে এই সকল ঘৃণিত কাজ করে থাকে।। হায় আফসোস!! আমরা দুনিয়াতে নিজেকে রূপবতি দেখাতে কতোই না ব্যাস্ত।।প্রতি মাসে অন্তত একবার পার্লার ছাড়া তো আমাদের জীবন যৌবন অচল হয়ে আছে।। খেয়াল করুন যে করে এবং যে করায় তাদের উভয়ের প্রতি আল্লাহ সয়ং লানত করেন।।
.
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ মানব দেহে চিত্র অঙ্কন কারিণী ও অঙ্কন প্রার্থিণী নারী, (বড় দেখাবার জন্য) কপাল ভ্রুর চুল উৎপাটন কারিণী ও উৎপাটন কামী নারী এবং (সৌন্দর্য সুষমা বৃদ্ধির মানসে) দাঁতের মাঝে (সুষম) ফাঁক সৃষ্টি কারিনী, যারা আল্লাহর সৃষ্টিতে বিকৃতি সাধন কারিণী, এদের আল্লাহ তা’আলা লানত করেন। [সহীহ মুসলিমঃ২১২৫]

এখনো সময় আছে মৃত্যু চলে আসার পূর্বে তওবাহ করুন।।পরিপুর্ন হিজাব পালন করার সাথে সাথে এই সকল ঘৃনিত কাজ উৎসব মুখি হয়ে পালন করা বর্জন করুন।। আল্লাহ্‌ সৃষ্টি পরিবর্তন করে নিজেকে আপনি, যে সুন্দৌর্যের দ্বারে পৌছাতে চাচ্ছেন সেটা আপনাকে জাহান্নামের দরজায় পৌছে দিচ্ছে……

আল্লাহ্ বলেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন ক্ষমতা নেই যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট তায় পতিত হয়। [ সুরা আহযাবঃ ৩৬ ]

আল্লাহ্‌ সকল মুসলিম নারীদের এই ঘৃনিত কাজ বর্জন করে আল্লাহ্‌ এবং রাসূল (সঃ)-এর অভিশাপ থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুন।। আমীন

আবু লাইবাহ (শুভ)

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here