রামপুরায় মিন্টু হত্যা : নেপথ্যে চাঁদাবাজির টাকা

0
267

17423697722_ae7ff3553d_b

নিজস্ব প্রতিবেদক, সময় সংবাদ বিডি

ঢাকা: রামপুরায় চাঁদাবাজির টাকা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে খুন হয় মিন্টু। জেলে থাকা রামপুরা তথা রাজধানীর অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাজাদা গ্রুপের হয়ে কাজ করতো এই মিন্টু। সম্প্রতি চাঁদাবাজির টাকা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে গ্রুপের অন্যদের না দিয়ে নিজে আত্মসাৎ ও দল ত্যাগ করার কারণেই তাকে গুলি করে হত্যা করে শাহজাদা গ্রুপের অন্য সদস্যরা।

সরেজমিনে অনুসন্ধান ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য জানা গেছে।

এ সম্পর্কে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, সন্ত্রাসী শাহজাদা জেলে বসেই বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের ফোন দিয়ে চাঁদা চান। আর যে চাঁদা দিতে অস্বীকার করে তাকেই তার লোক দিয়ে গুলি করে কখনো হত্যা আবার কখনো আহত করে। মূলত তার গ্রুপের সদস্যরাই পুরো রামপুরা জুড়ে চাঁদাবাজি করে। মিন্টুও ছিল শাহাজাদা গ্রুপের একজন সদস্য। সম্প্রতি সে কয়েক জায়গা থেকে চাঁদা তুলে সেই চাঁদার টাকা না দিয়ে গ্রুপ ত্যাগ করে। এই নিয়ে তাদের মধ্যে শুরু হয় দ্বন্দ।

পরে জেলে থেকেই শাহজাদা মিন্টুকে সরিয়ে দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়। আর গুরুর আদেশ মেনেই তার অন্যান্য সহযোগী মিন্টুকে গুলি করে হত্যা করে।

রামপুরা থানার অপারেশন অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মিন্টু থানার একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে রামপুরা, বাড্ডাসহ কয়েকটি থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি, ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে। সে শাহজাদা গ্রুপের সদস্য ছিল।

তিনি আরো বলেন, ঘটনার অনুসন্ধানে জানা যায় মিন্টু সম্প্রতি শাহজাদা গ্রুপ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়। হয়তো এ কারণে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। আমরা ইতিমধ্যে খুনের সঙ্গে কারা জড়িত তাদের নাম পরিচয় পেয়েছি। সেই হিসেবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত,শুক্রবার (০৮ মে) বিকেলে রামপুরা টিভি রোড কুঞ্জবন পানির পাম্পের পেছনে মিন্টু (২২) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

এতে তার বুকের মধ্যখানে গুলি লাগে। ঘটনাস্থল থেকে তার ভাই ইসমাইল হোসেন গুলিবিদ্ধ মিন্টুকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জানা যায়, মিন্টুর নাম মো. রুবেল ওরফে মিন্টু। তাদের গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলায়। বর্তমান ঠিকানা ১৫/২০ ওমর আলী লেন, ওয়াবদা রোড, রামপুরা।

 

 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here