রোয়ানুর আঘাতে শ্রীলঙ্কায় ২ লাখ মানুষ বাস্তুহারা

0
174

রোয়ানুর আঘাতে শ্রীলঙ্কায় ২ লাখ মানুষ বাস্তুহারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, সময় সংবাদ বিডি:-

ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর আঘাতে শ্রীলঙ্কায় কমপক্ষে ৬০ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছে ৩৭ শিশুসহ ১৪৭ জন। দেশটিতে রোয়ানুর ধ্বংসযজ্ঞ থেকে বাঁচতে ২ লাখের বেশি মানুষ নিজেদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

রোয়ানুর প্রভাবে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোসহ আরো কিছু অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৩শ মিলিমিটার ছাড়িয়েছে। দেশটির মাহাইল্লুপ্পালামা এলাকায় এক সপ্তাহে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ রেকর্ড করা হয়েছে ৫শ মিলিমিটারেরও বেশি।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপণা কেন্দ্র জানিয়েছে, দুর্যোগ কবলিত এলাকার প্রায় ২ লাখ মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় একটি আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কলম্বোর ১শ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় কেগালি জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওই এলাকায় দু’টি পৃথক ভূমিধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪য়ে।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ভারত, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে পাহাড়ি ঢল, আকষ্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু আরো ঘনীভূত হয়ে শনিবার বিকেল বা সন্ধ্যা নাগাদ বরিশাল-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে পারে। শুক্রবার সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদফতরের বিশেষ বুলেটিনে এ কথা বলা হয়েছে।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের পাশাপাশি মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকেও সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। দুপুরের ১২টার বুলেটিনে এ দুই বন্দরকে ৫ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছিল। তখন মংলা সমুদ্রবন্দর ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে রোয়ানু যথাক্রমে ৭শ ৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং ৮শ ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

এছাড়া কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে রোয়ানু ৮শ ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে।

বাংলাদেশ ছাড়াও গত কয়েকদিন ধরে ভারতের কেরালা, তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশে রোয়ানুর প্রভাবে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here