বৃহস্পতিবার , ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭
ব্রেকিং নিউজ

সিরিজ বোমা হামলার এক যুগ

সিরিজ বোমা হামলার এক যুগ : গ্রেফতার হয়নি অর্ধশতাধিক জঙ্গিস্টাফ রিপোর্টার,সময় সংবাদ বিডি-ঢাকা:বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার ১২তম বার্ষিকী। একযুগ আগে ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট জঙ্গি সংগঠন জামাআ’তুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৬৩টি জেলার ৫০০টি পয়েন্টে একই সময়ে বোমা হামলা চালায়। এতে দুজন নিহত এবং বিস্ফোরিত বোমার স্প্লিন্টারের আঘাতে অর্ধশতাধিক লোক আহত হন।

বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও রাজনৈতিক দল জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে এবং তরুণ প্রজন্মকে এ ব্যাপারে সচেতন করতে দিবসটি পালন করবে।

আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে এ দিবস পালন করবে।

দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলায় দায়েরকৃত ১৫৯টি মামলার মধ্যে ৯৩টির নিষ্পত্তি হয়েছে। এতে ৩৩৪ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়। বাকি ৫৬টি মামলা এখনো বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলায় মোট আসামির সংখ্যা চারশ জন। ১২ বছর আগে ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট মুন্সিগঞ্জ ছাড়া দেশব্যাপী ৬৩টি জেলায় সংঘটিত এই সিরিজ বোমা হামলায় মোট ১৫৯টি মামলা দায়ের করা হয়।

১৪৯টি মামলার ১১০৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়েছে। বাকি ১০ মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। এই পর্যন্ত ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সিরিজ বোমা হামলার ২৭ জন আসামিকে অপর জঙ্গি সংশ্লিষ্ট মামলায় ফাঁসি দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আট জনের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে এসব মামলায় আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৩৪৯ জন অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

২০০৭ সালের ৩০ মার্চ জেএমবির শীর্ষ নেতা শায়খ আব্দুর রহমান, তার সেকেন্ড ইন কমান্ড সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলাভাই, সামরিক কমান্ডার আতাউর রহমান সানি, সহযোগী আব্দুল আউয়াল, খালেদ সাইফুল্লাহ ও সালাউদ্দিনের ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর জেএমবির কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছিল। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে জঙ্গি তামীম চৌধুরী দেশে ফিরে এসে নতুন করে জেএমবিকে সংঘটিত করে। এর নাম দেয় নব্য জেএমবি।

এদিকে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট আব্দুল্লাহ আবু জানান, ঢাকা শহরে বিভিন্ন জায়গায় বোমা হামলায় মোট ১৮টি মামলা হয়েছে। যার মধ্যে চারটি মামলার বিচার নিষ্পত্তি হয়েছে। পাঁচটি মামলা বিচারাধীন আছে এবং বাকি নয়টি মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। চারটি বিচার নিষ্পত্তিকৃত মামলায় ৩৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ১০ বছর।

Print Friendly