স্বলাতে উচ্চস্বরে আমীন বলা

0
61

 

সময় সংবাদ বিডি

ঢাকাঃ আল্লাহ্‌ বলেনঃ যে কেউ রসূলের বিরুদ্ধাচারণ করে, তার কাছে সরল পথ প্রকাশিত হওয়ার পর এবং সব মুসলমানের অনুসৃত পথের বিরুদ্ধে চলে, আমি তাকে ঐ দিকেই ফেরাব যে দিক সে অবলম্বন করেছে এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করব। আর তা নিকৃষ্টতর গন্তব্যস্থান। [সূরা নিসাঃ ১১৫]

===============================================
স্বলাতে উচ্চস্বরে আমীন বললে ১৪০০ বছর আগে ইহুদীদের গাঁয়ে জ্বালাপোরা শুরু হয়ে যেতো আজ বর্তমান দিনে আমাদের গোঁড়া মাজহাবী আলেমদের গাঁয়ে জ্বালাপোরা শুরু হয় (নাউজুবিল্লাহ)।।
.
আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত (এবং ইবনু আব্বাস হতেও) তিনি বলেন যে, রাসুল (সঃ) বলেছেন, ইহুদীরা তোমাদের প্রতি এতটা হিংসা অন্য কোন বিষয়ে করে না যতটা হিংসা সালাম দেয়াতে এবং জোরে আমীন বলাতে করে; অতএব তোমরা বেশী করে জোরে আমীন বল [ইবনু মাযাহ ৬২ পৃঃ]
.
রাসূল (সঃ) উচ্চস্বরে আমীন বলতেন।তাই তার অনুশরনের জন্য আমদের উচিৎ উচ্চস্বরে আমীন বলা।কিন্তু মাসজিদ গূলো এমন ভাবে গোঁড়া মাজহাবীদের দখলে যে আমরা তা করতে পারি না।অতচ উচিৎ ইমাম নিজে উচ্চস্বরে আমীন বলবে এর সাথে মুত্তাদিরাও বলবে।।
.
রাসুল (সঃ) যেসব নামাযে কেরাত জোরে পড়তেন সে সব নামাযে আমীন জোরে বলতেন এবং পিছনের তারাও আমীন জোরে বলতেন [যাদুল মায়াদ ১ম খন্ড ৫২ পৃঃ; তিরমিযী ৩৪ পৃঃ; নাসাঈ ১৪০ পৃঃ; মেশকাত ১৭৯, ১৮০ পৃঃ]
.
আজকাল মাসজিদে কেউ জ্বরে আমীন বললে বড়হুজুর এমন দৃষ্টিতে তাকায় যে,মুত্তাদি কি যেনো অপরাধ করে ফেলেছে।।অনেক মাসজিদে বলে জ্বরে আমীন বলার জন্য নাকি টাকা পায়,আবার কেউ নামায শেষে কঠর ভাবে নিষেধ করে দেয় জ্বরে আমীন বললে আলাদা মাসজিদ বানিয়ে আমীন বলার কথা। কিন্তু কেন?? জ্বরে আমিন বলার অসংখ্য দলিল স্বাহি হাদীস দ্বারা প্রমানিত।আর এর ফজিলতও আছে।।
.
রাসুলুল্লাহ (সাঃ)বলেছেনঃ ইমাম যখন আমীন বলেন, তখন তোমরাও আমীন বলো। কেননা, যার আমীন(বলা) ফিরিশতাদের আমীন (বলা) এক হয়, তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়। ইবনু শিহাব (রঃ)বলেন,রাসুলুল্লাহ (সাঃ)ও আমীন বলতেন। [সহীহ বুখারী]
.
.
বিঃদ্রঃ উচ্চস্বরে আমীন বলার আরো আসংখ্য দলিল প্রমান রয়েছে।।

✍🏿 আবু লাইবাহ।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here