হ্যাপির শেষ!

0
115
happy-model
স্টাফ রিপোর্টার, সময় সংবাদ বিডি-
ঢাকাঃ বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এবং চিত্রনায়কা হ্যাপি। জাতীয় ক্রিকেট দলের বোলার রুবেল হোসেনের সাথে হ্যাপির প্রেমের সম্পর্কের খবর প্রকাশের পর থেকে আলচনা-সমালচনায় হ্যাপি।
চিত্রনায়িকা হ্যাপি সাবেক প্রেমিক জাতীয় ক্রিকেট দলের বোলার রুবেল হোসেনের সাথে বিচ্ছেদের পর মনকষ্টে রয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসেও সেই কষ্ট ও রুবেলের প্রতি ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন তিনি।
কিন্তু গতকাল ১১ মার্চ রাত ৮ টা ১৮ মিনিটে হ্যাপি তার ফেসবুকে এক আত্মঘাতী স্ট্যাটাস দেন তিনি লেখেন-আমি বড় দুর্ভাগা শেষ কথাটাও তোমাকে বলতে পারলাম না। অনেক ভালোবাসি বাবু। কোন ভুল করলে মাফ করে দিও। আম্মু, আব্বু তোমরাও মাফ করে দিও। আমি তোমাদের যোগ্য সন্তান হতে পারলাম না। আমার জন্য অনেক কষ্ট করেছ তোমরা এর ঋণ শোধ করা সম্ভব না। এটাই আমার শেষ স্ট্যাটাস। বাবু, তুমি অন্য কাউকে বিয়ে করবে এটা দেখা আমার পক্ষে সম্ভব হল না।
হ্যাপির এমন স্ট্যাটাস-এ মিডিয়ার অনেকেই বিভ্রান্ত হয়েছেন। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন দুর্ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে নিজের দায়ের করা মামলায় ফেঁসে যেতে পারেন চিত্র নায়িকা নাজনীন আক্তার হ্যাপী। এর জন্য আলাদা করে রুবেলের পক্ষ থেকে মানহানির মামলা করার কোনো প্রয়োজন নেই।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা ইয়াসমিন দিপা বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ১৭ ধারায় বলা আছে কেউ মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করলে তার শাস্তি হবে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড। এ ছাড়া অর্থদণ্ডও হতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে এ আইনের ১৭ (২) ধারা অনুসারে মামলার আসামিকে (রুবেলকে) আদালতে আবেদন করতে হবে।
রুবেল অনুমতি দিলে তার ভক্তরাও ৪১৭ ও ৪২০ ধারায় মামলা করতে পারবেন। কিন্তু আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে হ্যাপীকে কোনো শাস্তি দিবেন না। কেবল আইনের ১৭ (২) ধারা অনুযায়ী কেবল রুবেল আবেদন করলেই হ্যাপী শাস্তি পেতে পারেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here