1. netpeak.ch@gmail.com : And another shiny day with www.yahoo.com And another shiny day with www.yahoo.com : And another shiny day with www.yahoo.com And another shiny day with www.yahoo.com
  2. anglea_redman35@seasonhd.ru : anglearedman53 :
  3. asik085021@gmail.com : asik asik : asik asik
  4. gloriapremov5@gmx.com : Beskilly :
  5. alicaricco3ct@gmx.com : Certinde :
  6. charlotte-walters22@megogonett.ru : charlotte3709 :
  7. claudio.pimentel@4kmovie.ru : claudiopimentel :
  8. darla_chong@4kmovie.ru : darlachong561 :
  9. newsdesk@somoysongbad.com : jashim Bhuyan : jashim Bhuyan
  10. yulechka.sidorenko.99@inbox.ru : jffhjdjjrrf www.yandex.ru jffhjdjjrrf www.yandex.ru : jffhjdjjrrf www.yandex.ru jffhjdjjrrf www.yandex.ru
  11. jonnie_sigmon14@megogonett.ru : jonniesigmon1 :
  12. kelsey.taverner@megogonett.ru : kelseytaverner :
  13. lenglocsebosc@mailcrunch.online : luciana81c :
  14. marjorie_woodfull@4kmovie.ru : marjoriewoodfull :
  15. nurnobifulkuri@gmail.com : Nurnobi Sarker : Nurnobi Sarker
  16. snaceslutah@herbmail.xyz : ohlminnie86000 :
  17. highflicerspyri@citymail.online : raquelnation3 :
  18. arif.uddin46@yahoo.com : আরিফ উদ্দিন : আরিফ উদ্দিন
  19. arif.uddin0046@gmail.com : Md Sarker : Md Sarker
  20. 04rana@gmail.com : Somoy Songbad : Somoy Songbad
  21. tauhidodesk@gmail.com : Md Tauhidul Islam : মোঃ তৌহিদুল ইসলাম
  22. yasmin.harpster63@serialhd1080.ru : yasminharpster :
সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সর্বাত্মক লকডাউন শুরু হওয়ার দুদিন আগে-স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে,রাজধানীতে কেনাকাটার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন মানুষ ধাতু দূর্বলতা কারন ও বিভিন্ন পর্যায়ের লক্ষন সমূহঃ দূঃসময়ের কান্ডারী রাজপথ কাঁপানো সৈনিক আসাদুজ্জামান খান জনি কঠোর লকডাউন ঘোষণা-১৪ এপ্রিল থেকে,সর্বাত্মক মানছেন না-স্বাস্থ্যবিধি,অতিরিক্ত ভাড়ায় রাজধানী ছাড়ছেন মানুষ মোড়ক উন্মোচিত হলো “BTS দ্য নিউ লিজেন্ড” কঠোর লকডাউন-১৪ এপ্রিল থেকে বন্ধ থাকবে সব অফিস প্রকাশিত হল মারজিয়া আনিকা প্রেরণার লেখা বইটি “BTS দ্য নিউ লিজেন্ড” সিলেট জেলার সব থানায় নিরাপত্তা চৌকিতে বসছে মেশিনগান পাহারা এবার রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে ঢাকায় মামলা

আবারো এক ওসির ধর্ষনের শিকার হলো এক তরুণী

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৩৮৯ সময় দর্শন

সময় সংবাদ বিডি ঢাকাঃ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মাসের পর মাস শারীরিক সম্পর্ক করেছেন ওসি মাহমুদুল হক। ফেসবুকে পরিচয় তারপর প্রায়ই ফোনে কথা বলতেন,তরুণীর প্রয়োজন ছিলো একটি চাকরি।

চাকরি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েই তাকে ঢাকায় ডেকে আনেন পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হক। তারপর হোটেলে রেখে তরুণীকে ধর্ষণ করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিয়ে না করে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন তরুণীর সঙ্গে। এ বিষয়টি শেষ পর্যন্ত গড়িয়েছে পুলিশের মহাপরিদর্শক পর্যন্ত।

তদন্তে সত্যতাও মিলেছে। এ খবর দিয়েছে সারাবাংলা। ভুক্তভোগী তরুণী বলেন,আমি সরকারি একটি কলেজ থেকে পড়ালেখা শেষ করে চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এর মধ্যে ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে ওসি মাহমুদুল হক আমার সঙ্গে ফোনে কথা বলতেন।

গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর তিনি চাকরি দেওয়ার কথা বলে আমাকে ঢাকায় ডেকে আনেন। আমাকে রাখার জন্য পল্টনের ক্যাপিটাল হোটেলের একটি রুমে নিয়ে যান। সেখানে হোটেল বয়কে দিয়ে আমার জন্য স্যুপ নিয়ে আসান। আমি খেতে না চাইলেও জোর করে খাওয়ান। এরপরই আমি ঘুমিয়ে পড়ি।

ওই তরুণী বলেন, ঘুম ভাঙলে দেখি রাত ২টার মতো বাজে। ওই সময় মাহমুদুল হক আমার পাশেই শুয়ে ছিলেন। আমি বুঝতে পারি, ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় ধর্ষণের শিকার হয়েছি আমি। মাহমুদুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,তিনি আমাকে ভালোবাসেন। ওসি বলেন তার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো নয় জানিয়ে তিনি আমাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন।

নির্যাতিতা তরুণীর অভিযোগ, এরপর প্রতি সপ্তাহেই ওই তরুণীকে ঢাকায় ডেকে এনে একই হোটেলে নিয়ে যেতেন মাহমুদুল হক। গত বছরের অক্টোবর মাসে তিনি বুঝতে পারেন,অন্তঃস্বত্ত্বা হয়ে পড়েছেন।

এ কথা ওসি মাহমুদুল হককে জানালে তিনি ওই তরুণীকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গর্ভপাত করতে বলেন এবং একপর্যায়ে তার কথায় রাজি হয়ে গর্ভপাত করান ওই তরুণীকে। তিনি জানান,দু’জনের সম্মতিতে তাদের মধ্যেকার শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ও ছবিও ধারণ করা হয়েছে,যেগুলো ওই তরুণীর কাছে রয়েছে।

ওই তরুণী বলেন,মাহমুদুল হক বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিলেও আমাকে বিয়ে করেননি। সবশেষ গত ২রা এপ্রিল আমার সঙ্গে সব যোগাযোগ বন্ধ করেন দেন। আমি ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছি এসময়। পরে আমার পরিবার সবকিছু জানতে পারলে তারা মাহমুদুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে।

এসময় আমাদের পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয়,পল্টন থানার ওসির অনেক ক্ষমতা,বাড়াবাড়ি করলে আমার অনেক ক্ষতি হবে। আমি ঢাকার বাইরে একটি চাকরি করছি। সেখানেও আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করেছেন ওসি মাহমুদুল হক।

ওই তরুণী বলেন,সবশেষে বাধ্য হয়ে আমি মতিঝিল জোনের এডিসি শিবলী নোমানকে বিষয়টি জানাই। তিনি বিষয়টি মীমাংসা করে দেবেন বলেও জানান। মাহমুদুলের বাবাকেও বিষয়টি জানাই। তবুও কোনো কাজ হয়নি।

শেষ পর্যন্ত আমি আইজিপি বরাবর লিখিত অভিযোগ করি। মাহমুদুল হক আমাকে বিয়ে না করলে আমি আদালতে মামলা করব।

পুলিশের মহাপরিদর্শকের কাছে ওসি মাহমুদুলের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পান মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মোনালিসা বেগম। তদন্ত শেষ করে তিনি প্রতিবেদন ডিএমপি সদর দফতরে পাঠিয়েও দিয়েছেন তিনি। সেখান থেকে গত বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) প্রতিবেদনটি পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে,প্রতিবেদনে মাহমুদুল হকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। প্রতি মাসেই ওই হোটেলে ওসি পল্টনের নামে এক বা একাধিক দিন বুকিংয়ের তথ্য মিলেছে।

তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী,সর্বশেষ এ বছরের ১৭ই মার্চ ওই হোটেল থেকে চেকআউট করেন ওসি মাহমুদুল। এছাড়া কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানেও ওসি ওই তরুণীকে নিয়ে গিয়েছিলেন বলেও তথ্য পাওয়া গেছে প্রতিবেদনে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলল পল্টন থানার ওসি মাহমুদুল হক বলেন, আমি সূক্ষ্ণ ষড়যন্ত্রের শিকার। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা মিথ্যা ও বানোয়াট।এইদিকল ওসি মাহমুদুলের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্ত করেছেন সবুজবাগ জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোনালিসা।

তিনি বলেন,পল্টন থানার ওসি মাহমুদুল ও ভুক্তভোগী মেয়েটির ব্যাপারে তদন্ত শেষ করে ডিএমপি সদর দপ্তরে প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। তবে প্রতিবেদন নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারব না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি কেবল বলেন,তদন্তে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে।

ডিএমপি সূত্রে জানাযায়,ওসি মাহমুদুল হক ২০০১ সালে এসআই পদে পুলিশে যোগ দেন। তার বাড়ি নওঁগা জেলায়। চাকরি জীবনে তিনি একটি গুরুদণ্ড-ব্ল্যাক মার্ক এবং ২২টি লঘুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। তিনি ২০১৭ সালের ২ জুলাই পল্টন থানার ওসি হিসেবে যোগ দেন। তার স্ত্রী ও এক সন্তান রয়েছে।

সুএে- মানবজমিন।।




সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *