1. netpeak.ch@gmail.com : And another shiny day with www.yahoo.com And another shiny day with www.yahoo.com : And another shiny day with www.yahoo.com And another shiny day with www.yahoo.com
  2. anglea_redman35@seasonhd.ru : anglearedman53 :
  3. asik085021@gmail.com : asik asik : asik asik
  4. gloriapremov5@gmx.com : Beskilly :
  5. alicaricco3ct@gmx.com : Certinde :
  6. charlotte-walters22@megogonett.ru : charlotte3709 :
  7. claudio.pimentel@4kmovie.ru : claudiopimentel :
  8. darla_chong@4kmovie.ru : darlachong561 :
  9. newsdesk@somoysongbad.com : jashim Bhuyan : jashim Bhuyan
  10. yulechka.sidorenko.99@inbox.ru : jffhjdjjrrf www.yandex.ru jffhjdjjrrf www.yandex.ru : jffhjdjjrrf www.yandex.ru jffhjdjjrrf www.yandex.ru
  11. jonnie_sigmon14@megogonett.ru : jonniesigmon1 :
  12. kelsey.taverner@megogonett.ru : kelseytaverner :
  13. lenglocsebosc@mailcrunch.online : luciana81c :
  14. marjorie_woodfull@4kmovie.ru : marjoriewoodfull :
  15. nurnobifulkuri@gmail.com : Nurnobi Sarker : Nurnobi Sarker
  16. snaceslutah@herbmail.xyz : ohlminnie86000 :
  17. highflicerspyri@citymail.online : raquelnation3 :
  18. arif.uddin46@yahoo.com : আরিফ উদ্দিন : আরিফ উদ্দিন
  19. arif.uddin0046@gmail.com : Md Sarker : Md Sarker
  20. 04rana@gmail.com : Somoy Songbad : Somoy Songbad
  21. tauhidodesk@gmail.com : Md Tauhidul Islam : মোঃ তৌহিদুল ইসলাম
  22. yasmin.harpster63@serialhd1080.ru : yasminharpster :
শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৩০ অপরাহ্ন

এমপি নির্দেশ থাকা শর্তেও হিন্দোল বারীর বদলি নিয়ে নানা নাটকিয়তা

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৬৫৬ সময় দর্শন

আয়শা সিদ্দিকী,সময় সংবাদ বিডি- ঢাকা:হিন্দোল বারী’নারী শিক্ষিকাদের কাছে আতংকিত ও সমালোচিত একটি নাম। ঢাকার অদূরে দোহার উপজেলায় ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের পদে দ্বায়ীত্বরত আছেন তিনি। বহুল অালোচিত ও

সমালোচিত এই শিক্ষা কর্মকর্তার কুকীর্তি পৌঁছে গেছে সোস্যাল মিডিয়া সহ উপজেলার প্রতিটি শিক্ষাঙ্গনে । নারী কেলেঙ্কারি নিয়ে সমালোচিত এই শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে উঠেছে আরো বেশ কিছু অভিযোগ। গত ০৭/১০/২০১৯ তারিখে সোস্যাল মিডিয়ায় “দোহারে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ”প্রতিবেদন প্রকাশ হলে অই কর্মকর্তা ব্যাপক সমালোচনায় আসেন। তবুও প্রশাসন ছিলেন নিরব ভূমিকায়।

এরপর বিভিন্ন জাতীয়ও অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে প্রচার হলে স্থানীয় গনমাধ্যম ও প্রশাসন নরেচরে বসে। পরবর্তীতে সোস্যাল মিডিয়া ও লোকমুখে সমালোচনার ঝড় উঠলে অই শিক্ষা কর্মকর্তা আরো বেপোরোয়া হয়ে উঠেন।১৯/০৮/২০১৯ ইং তারিখে ভুক্তভুগি কিছু শিক্ষিকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট কোন সুরাহা না পেয়ে অভিযোগ কারি শিক্ষিকারা হতাশ হয়ে পরেন। পরবর্তীতে,শুধু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাই নয় অই শিক্ষা কর্মকর্তার অপকর্মের অভিযোগ পরে জেলা শিক্ষা অফিস,প্রাথমিক ও গন শিক্ষা মন্ত্রনালয়, সড়ক ও সেতু মন্ত্রনালয় সহ ঢাকা-১ আসন সাংসদ সদস্য জনাব সালমান এফ রহমানের নিকট।

স্থানীয় এমপির নিকট অভিযোগ পরার সাথে সাথে তিনি জেলা শিক্ষা অফিসার আলেয়া ফেরদৌসকে মুঠোফোনে অই কর্মকর্তাকে বদলির নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু তাতেও বদলী প্রকৃয়া স্থীর থাকায় পরবর্তীতে ১৫/১১/২০১৯ তারিখ সড়ক ও সেতু মন্ত্রী জনাব উবায়দুল কাদের ওই হিন্দোল বারীকে বদলির আদেশ দিলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অভিযুক্ত হিন্দোলবারী তার দায়িত্ব বহাল থেকে নিয়মিত অফিস করে যাচ্ছে।

এরই মধ্যে গত গত ০৪/১২/২০১৯ তারিখে তদন্তের জন্য বিভাগীয় ভাবে এক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্ত প্রতিবেন প্রস্তুতের জন্য দোহার পাঠানো হয় ৷ তদন্তে প্রধান হিসেবে দ্বায়িত্বপালন করেন পার্শবর্তী থানা কেরানিগঞ্জের প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাজেদা সুলতানা ।

তদন্ত পত্রে উল্লেখ করা হয় ৪/১১/২০১৯ ইং তারিখ বুধবার বেলা ১ ঘটিকায় অভিযুক্ত ও অভিযোগ কারি সকলে স্ব স্ব সাক্ষি নিয়ে তদন্তের স্বাক্ষ্য গ্রহনের উল্লেখিত নির্ধারিত স্থান উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে উপস্থিত থাকতে। যদিও ১ টায় তদন্ত অনুষ্ঠিত হবার কথা থাকলেও তদন্ত শুরু হয় বিকের ৪ টায়। স্ব স্ব সাক্ষি নিয়ে অভিযুক্ত ও অভিযোগকারিদের উপস্থিত থাকতে বলা হলেও অভিযোগকারি কাউকেই সাক্ষি দিতে দেয়া হয়নি বলে জানান ভুক্তভুগীরা।

অভিযোগ কারি-১বকুল সুলতানা বলেন, তদন্ত রুমে আমাদের মানষিক ভাবে নির্যাতন করা হয় অশালীন ও অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করেন এস আই হুমায়ুন,আমাদের ভাল মত কথাও বলতে দেয়া হয়নি। একটা রুমে আমাদের আটকে রাখা হয়।

তথ্য সূত্রে জানা যায়,উক্ত দিবসে উপজেলা শিক্ষক শিক্ষিকাদের মাসিক ট্রেনিং ছিল সেখানে গিয়ে তদন্ত অফিসার নিজ দ্বায়িত্বে বহিরাগত শিক্ষক শিক্ষিকাদের চিরকুট দিয়ে তাতে হিন্দোল বারীর পক্ষে লিখিত ও মোখিক জবানবন্দি নেন।

দ্বায়িত্বরত প্রতিবেদককে বকুল সুলতানা আরোও জানান,তদন্তের পরদিন ০৫/১২/২০১৯ তারিখ দোহার থানাধীন থানার মোড়স্থ নয়নের তেলের দোকানের সামনে রাস্তায় উক্ত বিবাদি ও পালামগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর সহ-শিক্ষক মোঃ সাইফুল ইসলাম(৩৫) মারুয়াপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ-শিক্ষক মোহাম্মদ হুমায়ুন (৩৪) কার্তিক পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ শিক্ষক মোঃ হাবিবুর রহমান (৩৮) লটাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মোঃ আব্দুর রহমান (৩৫) অভিযোগ পথটি তুলে নিতে বলে এবং তুলে না নিলে জেলার বাহিরে বদলি ও প্রান নাশের হুমকি প্রদান করেন। ঘটনা চক্র থেকে বেরিয়ে এসে দোহার থানায় একটি সাধারন ডায়েরি করেন,জিডি নং (৩১৮) ।

গোপন সূত্রে জানা যায়, বিতর্কিত অই শিক্ষা অফিসার বিগত দিনে মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানায় একই দ্বায়ীত্ব পালনের সময় একই ভাবে সমালোচনায় আসেন। পরবর্তিতে নবাবগঞ্জ থানায় ও সেইভাবেই একই কারনে সমালোচনায় আসেন তিনি।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক,একজন প্রধান শিক্ষক বললে, আমরা দেখেও অনেক কিছু বলতে পারি না ভয়ে চুপ করে থাকতে হয়। কেননা সে একজন অফিসার।

আমাদের যা কিছুর আদেশ দেয়া হয় সেই ভাবেই কাজ করতে হয়। ভুক্তভুগি নুরুন্নাহার নিতু বলেন,শুধু মাত্র উনার কথা মতো চলি নি বলে প্রতিটি কাজে প্রতিটিসময় তিনি আমাকে হেনস্থা করতেন। তার কু প্রস্তাব মেনে নেই নি বলে ভাল জায়গায় পোস্টিং বেতন স্কেল ও বিভাগিয় মামলা দেবার হুমকি সহ নানা ভাবে হয়রানির করতো।

এমনি অভিযোগ করেন ভুক্তভুগি শিক্ষিকারা। তদন্তের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিবা আক্তার বলেন, তদন্তের বিষয় আমি কিছুই জানিনা আমাকে কিছুই জানানো হয়নি,আমার কাছে কোন অফিস কপিও আসেনি।

তদন্তের বিষয়ে প্রতিবেদককে
তদন্তকারী অফিসার মাজেদা সুলতানা বলেন,তদন্ত হলো গোপনীয় বিষয়। এই বিষয় আমি আপনাকে কিছুই বলতে পারব না,তদন্ত সুষ্ঠু ভাবে সম্পূর্ন হয়েছে, আমি সকল অভিযোগকারীর সাথে আলাদা আলাদা করে কথা বলেছি তাদের রেকর্ড সংগ্রহ করেছি এবং তদন্ত রিপোর্ট প্রশাসনের নিকট জমা দিয়ে দিয়েছি।

দোহার সহ শিক্ষা অফিসার মারুফ বলেন, পি এস সি পরিক্ষা নিয়ে তদন্তের দিন আমি নিরীক্ষক বাছাইয়ের কাজে ব্যাস্ত ছিলাম তাই তদন্তের দিকে মনোনিবেশ করতে পারি নি আমি কাউকে কোন কাগজ দেইনি বা কাউকে কিছু শিখিয়েও দেই নি।

এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদন চলবে,বলে জানিয়েছেন দোহার প্রতিনিধি আয়েশা সিদ্দিকা।




সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *