ডাঃমোঃইসতিয়াখ আহাম্মেদ:”দাঁদ দাউদ”এর কারন ও লক্ষন সমূহ

0


লিখেছেন কুমিল্লা মেডিকেলের সহকারী অধ্যাপক চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ ইসতিয়াখ আহাম্মেদ স্যার।

সময় সংবাদ বিডি ঢাকা:দাঁদ দাউদ”এর কারন ও লক্ষন সমূহের এবিষয়ে উপর -লিখেছেন কুমিল্লা মেডিকেলের সহকারী অধ্যাপক চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ ইসতিয়াখ আহাম্মেদ স্যার। দৈনন্দিন জীবনে কর্মব্যস্ততার মাঝে,”দাঁদ- দাউদ এরকম সমস্যা হলে আমরা খুব অস্থিরতায় মধ্য দিয়ে দিন পার করি এবং খুব বিরক্ত অবস্থা স্বাভাবিক জীবনযাপন ও মানসিক ভাবেও ক্ষতিগ্রস্থকিছুটা।

(১) দাঁদ ( দাউদ) এর কারন ও লক্ষন সমূহঃ- (দাউদ) হলো ছোয়াচে জটিল চর্মরোগ,এটি সাধারনত শরীরের বিভিন্ন স্থানে হতে পারে,দাঁদ হলে আক্রান্ত স্থানে চাকার মতো গোলাকার হয় এবং প্রচুর চুলকানী হয় অতঃপর চুলকালে অনেক জ্বালাপোড়া করে, বিশেষ করে গরুর মাংস,চিংড়ি মাছ,ইঁলিশ মাছ, বেগুন, এগুলো খেলে দাঁদ এর চুলকানী অনেক বেড়ে যায়,দাঁদ এর একটি বিষয় লক্ষনীয় তা হলো দাঁদ প্রচলিত ক্রীম ব্যবহার করলে দেখা যায় যে স্থানে দাঁদ হয়েছে সেখানে ক্রীম ব্যবহার করলে সেখানে দাঁদ ভালো যায়,।

কিন্তুু কিছুদিন পর শরীরের অন্যান্য স্থানে দাঁদ দেখা দেয়,কখনো দাঁদ এর আক্রান্ত স্থানে ক্রীম ব্যবহার করলে দাঁদ এর চুলকানী থাকেনা কিন্তুু আক্রান্ত স্থানটি কালো হয়ে যায়,কখনো দাঁদ এর অাক্রান্ত স্থানে চুলকালে হালকা চামড়া উঠে যায়,কখনো ক্রীম ব্যবহারের পর দাঁদ এর আক্রান্ত স্থানটি পুঁজ যুক্ত গুঁটির মতো হয়ে যায়, কুচকিতে দাঁদ হলে লালচে চাকার মতো হয়ে থাকে, এতে চুলকানী তীব্রতা অনেক বেশী।

কুচকী ঘেমে গেলে চুলকানী পরিমান বেড়ে যায় এবং হাটা চলা কষ্টকর হয়ে যাওয়া,(২)দাঁদ (দাউদ) এর কারন সমূহঃ- ( ক) অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জীবন যাপন করা,(খ) দাঁদ ( দাউদ) এর অাক্রান্ত ব্যাক্তির কাপড় চোপড় পরিধান করা,(গ) রক্তে এলার্জির মাত্রা বেড়ে যাওয়া,(ঘ) রক্তে কোলেষ্টোরেলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া,(ঙ) রক্ত দূষন হওয়া,(চ) দীর্ঘদিন যাবৎ এলার্জি জাতীয় খাদ্য গ্রহন করা,(ছ) আর্সেনিক যুক্ত পানি পান করা। (জ) নিম্নাঙ্গ ঘেমে যাওয়া। সময় সংবাদ বিডি:ঢাকা-বাড্ডা।