ডিএনসিসির উদ্যোগে কীটনাশক ছিটানো ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত

0


মোঃ দেলোয়ার হোসেন, সময় সংবাদ বিডি- ঢাকা: করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) বিভিন্ন স্থানে অসহায়, দুঃস্থ মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

আজ রবিবার ডিএনসিসির বিভিন্ন ওয়ার্ড মোট ৩ হাজার ৪৭৩টি পরিবারকে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। ডিএনসিসি, ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে আজ রবিবার পর্যন্ত মোট ৬৪ হাজার ৬৬৭টি পরিবারকে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়া নবনির্বাচিত মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলামের উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

প্রতিদিনের মতো আজও ১০টি ওয়াটার বাউজারের (পানির গাড়ি) সাহায্যে মোট ১৮ বার ব্লিচিং পাউডার মিশ্রিত জীবাণুনাশক তরল ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক, ফুটপাত, ফুটওভারব্রিজ, কোয়ারেন্টাইন্ড এলাকা, গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল ও উন্মুক্ত স্থানে ছিটানো হয়। প্রতিটি ওয়ার্ডের অলি-গলিতে, বস্তিতে, মসজিদের সামনে, হ্যান্ড স্প্রে ও হুইলব্যারো মেশিনের সাহায্যে তরল জীবাণুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। আজ উত্তরা সেক্টর ৩, সেক্টর ৯, সেক্টর ১১, মিরপুর ৭নং এর আরামবাগ আবাসিক, ১১ নং পল্লবী, দুয়ারিপাড়া, মিরপুর ১৩নং এর ৩নং ওয়ার্ড, মিরপুর ২নং ও ৬নং বাজার, মিরপুর ১নং লালকুঠি বাজার, শিশু হাসপাতাল, টোলারবাগ আবাসিক, মোহাম্মদপুর, বসিলা, ফার্মগেট, কাওরানবাজার, তেজকুনিপাড়া, গুলশান ১ ও ২, বারিধারা, শাহিন কলেজ এলাকা, তেজগাও, মধ্য বাড্ডার বিভিন্ন এলাকা, মিরপর ১৩নং বিআরটিএ, মিরপুর ৮নং কমিউনিটি সেন্টার রোড, শাহ আলী মাজার রোড ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় মোট ১ লক্ষ ৫৪ হাজার লিটার তরল জীবাণুনাশক প্রায় ২৩ লক্ষ বর্গফুট এলাকায় ছিটানো হয়।

আজ পর্যন্ত ১০টি ওয়াটার বাউজারের (পানির গাড়ি) সাহায্যে মোট ৩১৬ বার ব্লিচিং পাউডার মিশ্রিত জীবাণুনাশক তরল ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক, ফুটপাত, ফুটওভারব্রিজ, কোয়ারেন্টাইন্ড এলাকা,গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল ও উন্মুক্ত স্থানে ছিটানো হয়। এ পর্যন্ত মোট ২৯ লক্ষ ১৬ হাজার লিটার তরল জীবাণুনাশক প্রায় ৪ কোটি ৩৭ লক্ষ বর্গফুট এলাকায় ছিটানো হয়।

করোনা ভাইরাসের মারাত্মক সংক্রমণ থেকে জনসাধারণকে রক্ষা করার উদ্দেশে জনগণকে ঘরে অবস্থান ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য ডিএনসিসি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে সমগ্র এলাকায় টহল অব্যাহত রেখেছে। জনগণকে ঘরে অবস্থান, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, কালোবাজারি, মজুদদারী ও অহেতুক দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি রোধ করার জন্য আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও অন্যান্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ২০টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে। আজ বেলা ১১টায় ডিএনসিসির নিরীক্ষা কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট বনানী কাঁচাবাজারে অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ায় ৫জন দোকানীকে ১০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেন।

ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও মশক নিধনকর্মীগণ তাদের নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশকনিধন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। আসন্ন বর্ষায় ডেঙ্গুর আশংকা মাথায় রেখে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রমকে সমন্বিতভাবে জোরদার করা হয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here