ঢাকা উত্তর সিটির ট্রেড লাইসেন্স শাখার বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ!

0


মো:জাহাঙ্গীর আকন্দ,টঙ্গী:ডেস্ক নিউজ,সময় সংবাদ বিডি-ঢাকা: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দূর্নীতির বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান সর্বজন স্বীকৃত প্রশংসা কুড়ালেও অনেকটা অপরাধ দমনে,আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তাদের দৃঢ়দর্শিতা প্রদর্শনে সক্ষম হলেও থামছে না দূর্নীতি।

চোরে শোনে না ধর্মের কাহিনী। ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনকে সাজানো হয়েছে নতুন রুপে সর্বত্র ডিজিটাল আধুনিকায়নের ছোঁয়া,এত সব তদারকির মধ্যেও কিছু অসাধু কর্মকর্তারা চালিয়ে যাচ্ছে দূর্নীতি। তেমনি একটি অভিযোগ উঠেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর উত্তরা জোনের বিরুদ্ধে। উত্তরা একটি আবাসিক
এলাকা যার মধ্যে কিছু কিছু রাস্তা ঘাটের পাশের ভবনকে বাণিজ্যিক হিসেবে অনুমতি দিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

এই বিষয়টিকে অবৈধ টাকা আয়ের কবজ বানিয়ে একটি কুচক্রীমহল সিটি কর্পোরেশন এর অসাধু কর্মকর্তাদের সাথে আতাত করে হাতিয়ে নিচ্ছে সরকারের লক্ষ লক্ষ-কোটি কোটি টাকা। সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। বাণিজ্যিক একটি প্লট ২২ নওয়াব মেনশন নামে ৩৪টি ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে,যা সম্পূর্ণ আইন বহি:ভূত কাজ। যার সাথে সরাসরি জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে সিটি কর্পোরেশন অঞ্চল ১ এর লাইসেন্স শাখার সহকারী সুপার ভাইজার আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। তিনি বর্তমান সিটি কর্পোরেশন অঞ্চল ৪ এ কর্মরত।

লিয়াকত আলী মিয়া (কর কর্মকর্তা), লাইসেন্স মোস্তাফিজুর রহমান সহ আরও বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এই কর্মকর্তাদের সাথে আতাত করেছেন টাইলস ব্যবসায়ীক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাসির
(এসব অপকর্মের মূল হোতা এবং বড় বড় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সাথে সাধারণ সম্পাদক নাসির এর সম্পর্ক আছে এমন চাপাবাজিতে কেউ তাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করার সাহস করেনি )।

অনুসন্ধান করে জানা যায়,এসব অবৈধ ট্রেড লাইসেন্স ব্যবহার করে ব্যাংক লোন,ট্যাক্স, ভ্যাট সহ অনেক রকম সুবিধা নিয়ে সরকারের রাজস্ব ফাকি দিয়ে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধি করেছে এই অসাধু চক্র। এই বিষয় নিয়ে টাইলস ব্যবাসয়ীক সমিতির সভাপতি মানছুর এর সাথে দৈনিক সময় সংবাদ বিডির সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমাদের লাইসেন্সগুলো মনে করেন অবৈধ। ব্যাংকের লোনের স্বার্থে আমাদের এই অবৈধ ভাবে লাইসেন্স করতে হয়েছে। আমাদের সাথেও অনেক সাংবাদিক আছে। আমাদের হাত অনেক লম্বা।

আপনারা আমাদের বিরুদ্ধে লিখবেন না। লাইসেন্স শাখার বর্তমান দায়িত্বে থাকা মোস্তাফিজুর রহমান এর কাছে জানতে চাইলে সে বিভিন্ন তালবাহানা করে এক পর্যায়ে জানান যে আমরা লাইসেন্সগুলো বাতিল করবো। প্রতিবেদক এই বিষয় কথা বলেন আঞ্চলিক কর্মকর্তা জুলকার নাইন এর সাথে। তিনি জানান ঘটনা সত্যতা যাচাই করে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

এই বিষয় নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান এইরকম কিছু দূর্নীতির কথা আমার কানে এসেছে বর্তমানে নির্বাচনের প্রচারনা চলছে, আগামী ৩০ শে জানুয়ারী ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন আমি পূনরায় মেয়র নির্বাচিত হলে এসব অসাধু কর্মকর্তাদের তালিকা করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিব।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানী ঢাকাকে একটি আধুনিক ডিজিটাল নগরী গড়ার প্রত্যয়ে ঢাকা
উত্তর ও দক্ষিনকে ভাগ করে দুইটি সিটি কর্পোরেশন করে কাজের অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়ে গঠনমূলক রুপরেখায় বিশ্বের আধুনিক আদলে প্রতিষ্ঠা করার মহা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের সোপানে তার কুসুম বাগানে কোন দূর্নীতিগ্রস্থ প্রতারক ভুতূম প্যাঁচার স্থান নেই। সকল অপকর্ম নিপাত যাবে সবাই আসবে আইনের আওতায় এমনটাই ঘোষনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। আগে সোনার বাংলা পরে অন্য সব।

সাধু সাবধান। অনুসন্ধান চলছে টাইলস এন্ড স্যানেটারি সমিতির কর্মকর্তাদের,বিস্তারিত থাকছে আগামী সংখ্যায়।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here