ধর্ষণ: অধ্যাদেশ মৃত্যুদণ্ড জারির পর-দেশে এই প্রথম পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত

0


জসীম ভুইয়া,সময় সংবাদ বিডি ঢাকা: অপহরণের পর গণধর্ষণ মামলায় পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ধর্ষণ: অধ্যাদেশ জারির পর দেশে এই প্রথম মৃত্যুদণ্ডের আদেশ। বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সকালে সাড়ে ১১টায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় দেন। একইসঙ্গে দণ্ডিত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ড, প্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সাগর চন্দ্র,সুজন মনি ঋষি,রাজন,সনজিৎ এবং গোপি চন্দ্র শীল। রায় ঘোষণার সময় সনজিৎ ও গোপি চন্দ্র শীল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা এখনও পলাতক রয়েছেন।

সম্প্রতি, দেশে চলমান করোনাভাইরাস এর অবস্থা স্বাভাবিক না হতেই হঠাৎ করে বেশ কিছু ধর্ষন ও নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে নোয়াখালীর ঘটনা স্যোসাল মিডিয়ায় প্রকাশ পাওয়ায় দেশ জুড়ে মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে, দেশ জুড়ে চলছে ধর্ষনের বিরুদ্ধে মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ ধর্ষণের বিরুদ্ধে সমাবেশ করেন সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে, গত মঙ্গলবার অধ্যাদেশ জারি করেন রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদ। এর আগের দিন সোমবার এ সংক্রান্ত আইন ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০’ এর খসড়া অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। ঠিক সেই মুহূর্তে, দেশব্যাপী ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ জনক পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

নতুন আইন: অধ্যাদেশ জারির পর, ধর্ষণ মামলায় এই প্রথম মৃত্যুদণ্ডের আদেশ আসল টাঙ্গাইল থেকে। জেলার ভুঞাপুরে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণ মামলায় বৃহস্পতিবার ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের নোয়াখালীর বেগম গঞ্জে এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের পর থেকে গত কয়েকদিন ধরে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবি উঠেছে দেশজুড়ে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের প্রতিবাদ ও সমাবেশগুলো থেকে গত, কয়েকদিন ধরে ঢাকাসহ দেশটির বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ থেকে এ দাবি উঠলেও এ নিয়ে দেশে জুড়ে জনসাধারণের মনে, জন্ম নিয়েছিল নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক।

সেই সূত্রের ধারাবাহিকতা থেকে,বাংলাদেশে এই প্রথম- ধর্ষণ: অধ্যাদেশ মৃত্যুদণ্ড জারির পর- টাঙ্গাইলে গণধর্ষণের দায়ে পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত মহামান্য আদালত।

“জসীম ভুইয়া ” ।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here