বাল্যবিয়েকে করে নাহিদা সুলতানা শুচি’র-‘ঘুড়ি’

0
596

2017-02-01-13-45-05-821স্টাফ রিপোর্টার, সময় সংবাদ বিডি-

ঢাকা: ঘুড়ি ওড়ানো একটি মজার খেলা। গাঁয়ের কিশোর কিশোরী ঘুড়ি ওড়ানো খেলায় সারা বেলা ব্যস্ত থাকে। অবসরের এই বিনোদন মূলক কাজে কিশোর কিশোরীরাই পরিবারের অবাধ্য হয়েই করে থাকে। বাংলাদেশেরঘুড়িবিনোদন অনেক পুরোনো ইতিহাস রয়েছে। সেই মোঘল আমলে বাংলাদেশের মানুষের কাছে ঘুড়ি নিয়ে অনেক ঘটনা আছে। নবাবরাই প্রথম শুরু করেঘুড়িবিনোদন। এই বিনোদন করাটা নবাব পরিবারের রেওয়াজ ছিল। গ্রাম বাংলার কিশোর কিশোরীর কাছে ধীরে ধীরে তা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠে। বাঙালি সংস্কৃতিতেঘুড়িবিনোদন এখন একটি অবিচ্ছেদ্য উপাদান। গ্রাম বাংলায়ঘুড়িবিনোদন পৌষ সংক্রান্তি অর্থাৎ পৌষ মাসের শেষ দিনে আকাশ ছেয়ে যায়

গাঁয়ের দুরন্ত চঞ্চল কিশোরী মেয়ে মিতা সহ বেশ কিছু কিশোর কিশোরী ঘুড়িলাটাই নিয়ে ছুটাছুটি করে গ্রামীণ জনপদে। তারা কেউ কেউ দোকান থেকে কিনে উড়ায় ঘুড়ি তবে বেশির ভাগই নিজে নিজেই ঘুড়ি বানিয়ে মজা উপভোগ করে। তবে মিতার নিজ বয়সের প্রতি কোন খেয়াল নেই। মিতা বাবার অবাধ্য হয়ে কাগজ কেটে তাতে আঠা দিয়ে কয়েকটি বাঁশের চিকন কাঠিতে আটকিয়ে বানিয়ে ফেলে ঘুড়ি। মিতার বাবা মিতাকে ঘুড়ি ওড়ানো থেকে দূরে সরে আনতে তার মাকে নির্দেশ দিলে কাজ না হলে মিতার বিয়ের ব্যাপারটা সম্পূর্ণ রূপে পাকাপোক্ত করে। কিন্তু মিতা বাল্যবিয়েতে রাজি হয় না। তবে সামাজিক পরিস্থিতি মিতাকে বিয়ে বাধ্য করে। বাল্যবিয়ের কারণে মিতার জীবনে নেমে আসে অমানিশার ঘোর

আকাশে রঙিন ঘুড়ি দেখতে কার না মন আনন্দে ভরে উঠে। এমন ইচ্ছে নিয়ে কৈশোরে ফিরে যেতে চান নাট্যকার পরিচালক নাহিদা সুলতানা শুচি। শৈশবের স্মৃতিকে স্মরণ করে মিতা নামের মেয়েটির গল্প নিয়ে নির্মাণে মগ্ন হয়েছে তিনি। সেসব স্মৃতি, সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র নির্মাণ প্রতিষ্ঠানড্রিম মেকিং প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত হয়েছে। ক্যামেরা ম্যান সাঈদ খান আফ্রিদী সফলতার সাথে কাজ করেছে। ঘুড়ি ফিল্মে টেলিভিশন নাটক বিজ্ঞাপন অভিনেতা অভিনেত্রী নজরুল ইসলাম তোফা, সাবেরা ইয়াসমিন সীমা অভিনয় করেছে, মিতা চরিত্রে উদীয়মান মডেল তরুণী পিউ আফরিন অভিনয় করেছে, বান্ধবী চরিত্রে আরফিন এবং শিশুশিল্পী তিথি সহ আরো অনেকে চমৎকার অভিনয় করেছে

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here