মৎস্যজীবী লীগের জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জুরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

0


সময় সংবাদ বিডি-ঢাকা:আগামী ২৯ নভেম্বর ২০১৯ রোজ শুক্রবার সকাল ১০ টায় বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট,ঢাকায় বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ এর ১ম ত্রি-বার্ষিক জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গতকাল ১৯ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু এভিনিউ দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানাযায় আগামী ২৯ নভেম্বর ২০১৯ বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট ঢাকায় “বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের ত্রি- বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।

গত ১৯ নভেম্বর বুধবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউ দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরী আলোচনা সভা এসময় সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজী মোঃ সায়েদুর রহমান সাইদ,সভা পরিচালনা করেন দলের কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব লায়ন শেখ আজগর নস্কর সহ,বক্তব্য রাখেন সভায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দরা।

সভা শেষে সময় সংবাদ বিডির এক প্রশ্নে জবাবে,বক্তব্য রাখেন তৃনমূল ছাত্রলীগে থেকে উঠে আশা সাবেক ছাত্রনেতা রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় কর্মী,জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত,বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সংগ্রামী সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব এস এম সিদ্দিকী মামুন।

তিনি সময় সংবাদ বিডিকে বলেন,আমি ১৯৮৬ সালে ছাত্রলীগে যোগ দান করে ১৯৮৯ -৯০ এ স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করি। আমার রাজনীতি প্রথমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দূঃসময়ের অসহযোগ আন্দোলন সহ ১৯৮৯ সালে হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজ শাখার ছাত্রলীগের প্রস্তাবিত সভাপতি হিসেবে স্বৈরাচার বিরোধী গন আন্দোলনে অংশ গ্রহনকরি পাশাপাশি নীজ এলাকা সাবেক গুলশান থানার বৃহত্তর সাতারকুল ইউনিয়ন পূর্ববাড্ডা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং বৃহত্তর সাতারকুল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ সভাপতি থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এড,সাহারা খাতুন আপার নেতৃত্বে ততকালীন পুরো সময়টুকুতে রাজপথে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলাম।

২০০১ সালে বিএনপি জামাত জোট সরকার গঠন করার পর ছাত্রলীগের নেতৃত্বে থাকায় ২০০৩ সালে ততকালীন সেনাবাহিনীর অপারেশন ক্লিন হার্টে বিএনপি সমর্থিত সেনাবাহিনী আমাকে বাড়ী থেকে চোখ হাত বেধে বসুন্ধরা ক্যাম্পে নিয়ে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দেয়ায় এবং আন্দোলন সংগ্রাম, হরতাল, অবরোধে নেতৃত্ব দেয়ায় আমাকে দূই দিন দুই রাত শারীরিক নির্যাতন করে প্রায় পঙ্গু করে দিয়েছিলো।

বন্দী ও নির্যাতনের পরেও আমি সেনাক্যাম্পে জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু শ্লোগান একবারের জন্য বন্ধ করিনাই। যতবার শ্লোগান তুলেছি ততবার দায়িত্বপ্রাপ্ত মেজর সম্ভবত মেজর তানভীর আমাকে বিচ্ছিরী গালিগালাজ আর মুখে চড় থাপ্পর মেরেছে রক্তাক্ত করেছে। যদিও ততকালীন সময়ে আমার নামে কোন মামলা না থাকায় একটি সাদা কাগজে সাক্ষর নিয়ে রাতের অন্ধকারে বর্তমান ভাটারা থানা ততকালীন নির্মাণাধীন বিল্ডিংএ রাতের অন্ধকারে এনে ছেড়ে চলে যায়। আমি কোন মতে বাসায় ফিরে আসি কিন্তু ওদের শারীরিক নির্যাতনের আমি অচলাবস্থায় আর ছাত্রলীগের হয়ে কোন আন্দোলন সংগ্রামে অংশ করতে পারিনাই।

পরবর্তীতে ২০০৪ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ প্রতিষ্ঠা লগ্ন হতে দলে যোগদান করে ২০০৫ সালে অবিভক্ত ঢাকা মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে থেকে সকল আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করি এমকি ১/১১ আওয়ামী লীগের দূঃসময়ের আমি ঢাকা মহানগর মৎস্যজীবী লীগের নেতৃত্ব দিয়েছি। মইনুদ্দিন – ফখরুদ্দিন এর সরকার বিরোধী এবং বিচারপতি আজিজের পদত্যাগের আন্দোলনে পুরো মহানগর কমিটি নিয়ে জিরো পয়েন্টে অবস্হান নিয়ে আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দেই।

সেই থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সাথে পথচলা দীর্ঘদিন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পদে থেকে আজো সংগঠনে আছি। তিনি আরো বলেন,দীর্ঘ ১৭ টি বছর এই সংগঠনকে সময় দিয়েছি। সপ্ন ছিলো কোন একদিন আমার প্রানের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের অনুমোদিত সহযোগী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি পাবে।

আজ সেই সপ্ন বাস্তবে রুপান্তরিত হতে চলেছে সুধু মাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী, মানবতার মা বিশ্ব নেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সুদৃষ্টির ফলে। আমরা যারা আওয়ামী লীগের দূর্দিনে বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সাথে সম্পৃক্ত থেকে একটা রুটি ভাগ করে খেয়ে সারাদিন রাত রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে ছিলাম আমরা সবাই নেত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ। তিনি আমাদের পরিশ্রমের ফল আগামী ২৯ নভেম্বর তুলে দিচ্ছেন। আমি বিস্মাস করি,নেত্রী এবার দলের শুদ্ধি অভিযানে সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী এবং যাদের দলের প্রতি ত্যাগ রয়েছে এবং যাদের কোন কলংক নাই তাদের নিয়ে দল গঠন করবে ঘোষনা দিয়েছেন।

আমার বিস্মাস তার দেয়া কথা মতো আগামী সম্মেলনে ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্ত আছে ক্লিন ইমেজ হিসেবে অবশ্যই তিনি আমাকে যথাযথ মূল্যায়ন করবেন ইনশাআল্লাহ্। আমি মনে করি নেতৃত্ব আল্লাহর দান যদি আল্লাহ চাহে অবশ্যই নেত্রী আমার উপর তিনি দলের গুরুত্ব পূর্ন কোননা কোন গুরুত্ব পূর্ন দায়িত্বে দিবেন। এটা আমি বিস্মাস করি,নেত্রীর উপর আমি পুরো আস্হা রাখি।

তিনি যাকেই নেতা নির্ধারণ করবেন ঘোষনা করবেন আমি এবং আমার সংগঠন স্বাচ্ছন্দ্যে মেনে নিয়ে এগিয়ে যাবো। আপনারা দোয়া করবেন আগামী ২৯ নভেম্বর ২০১৯ বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সম্মেলন আমরা সকলে মিলে যেন সফল করতে পারি। জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়হোক শেখ হাসিনা জয়হোক প্রকৃত ত্যাগী নেতাকর্মী।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here