রাজধানীর ঢাকার রাস্তায় চালু হতে যাচ্ছে এসি বাস

0


সময় সংবাদ বিডি-ঢাকা:রাজধানীর গণপরিবহনের সেবা দিতে চালু হবে বহুল প্রচারিত বাস রুট ফ্রাঞ্চাইজি পদ্ধতি। এর আওতায় সুনির্দিষ্ট কয়েকটি কোম্পানির অধীনে চলবে এ শহরের বাস সার্ভিস। সেখানে সদ্য অনুমোদনপ্রাপ্ত এসি বাস সার্ভিস যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। এ জন্য নতুন অনুমোদনপ্রাপ্ত বাস কোম্পানির কাছে চিঠি দিচ্ছে বিআরটিএ।

রাজধানী ঢাকায় নতুন করে আর সাধারণ বাস-মিনিবাস (নন-এসি) চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। অনুমোদিত বাসগুলোর ব্যাপারেও নতুন চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। এসব বাসের একটা অংশ রুট পারমিটের অনুমোদন পেয়েও রাস্তায় নামেনি। আপাতত এসি বাস সার্ভিস চালুর অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তা ছাড়া বিশেষ বিবেচনায় বিদ্যমান রুট পারমিটবিহীন ৭১টি রুটে ১৭৩৪টি গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এদিকে বর্তমানে এসি বাস চলছে সরকারি নীতিমালা ছাড়াই। নেই তাদের সরকারনির্ধারিত ভাড়ার হার। ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় নিয়ে বাকবিত-া হচ্ছে। সরকারের ব্যয়-বিশ্লেষণ কমিটি এখনো এসি বাসের ভাড়া নির্ধারণ করতে পারেনি। এর কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গাড়ির দাম ও মানের বিবেচনায় এসি বাসের ক্যাটাগরি ভিন্ন। এক গাড়ি দাম ৭০ লাখ তো আরেকটির, দাম এক কোটি টাকা।

ভাড়া নির্ধারণে ২১টি বিষয় বিশ্লেষণ করার কথা। এর মধ্যে গাড়ির দাম, যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অন্যতম। তাই ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে কার্যকর সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি সরকারের ব্যয়-বিশ্লেষণ কমিটি। এ বিষয়ে বিআরটিএর চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান বলেন,নন-এসি ও এসি বাসের ভাড়া নির্ধারণে পৃথকভাবে কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে এবং আরও হবে।

নন-এসি বাসের রুট পারমিট বন্ধের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন করে ঢাকার রাস্তায় নন-এসি বাসের রুট পারমিট দেওয়া হবে না। তবে বিদ্যমান বাস সার্ভিস চলবে। এসি বাসও নামবে। আর ঢাকায় বাস রুট নেটওয়ার্ক হবে। রুটভিত্তিক কোম্পানিতে চলবে বাস।

জানা গেছে, রাজধানী ঢাকায় কী পরিমাণ গাড়ি কোন রুটে চলবে তা নির্ধারণ করে ঢাকা মেট্রোপলিটন রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট কমিটি (আরটিসি)। এ কমিটির সভাপতি ডিএমপি কমিশনার ও সদস্য সচিব বিআরটিএর ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক। আরটিসির সর্বশেষ সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছেÑ ঢাকা মহানগরীতে নন-এসি বাস রুটের পারমিট প্রদান বন্ধ থাকবে।

বর্তমানে ৩৬৬টি রুটে ৬৩৮৯টি বাস ও ২৬২৮টি মিনিবাস চলাচল করছে। তবে অনুমতি সত্ত্বেও সব বাস রাস্তায় চলে না। যানজটের কারণে ট্রিপের ঘাটতি এর বড় কারণ। এ ছাড়া চলাচলের জন্য তিন ধাপে চাঁদা দিতে হয়। অনেক কোম্পানি তাদের বাসের রুট পারমিটের মেয়াদ আবেদন করে বাড়িয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে নতুন করে নন-এসি বাসের অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সর্বশেষ আরটিসির বৈঠকে এ সংক্রান্ত অনেক প্রস্তাব নাকচ করা হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here